এইমাত্র পাওয়া

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফৌজিয়ার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, কর্তব্যে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ এনে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছে অভিভাবকরা। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরামের ব্যানারে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরামের সভপাতি আনিসুর রহমান আনিস জানান, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত বেতন ও ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেয়া যা কেবল অনৈতিকই নয়, শান্তিযাগ্যে অপরাধও। কিন্তু ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ নিজ স্বাক্ষর সম্বলিত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মডেল টেস্ট বাবদ ২,৫০০ টাকা, পিকনিক বাবদ ১,০০০ টাকা ব্যবহারিক বাবদ ৬০০ টাকাসহ মোট ১৪ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করেছেন।

যার অধিকাংশই বিনা রশিদে গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আদায়কৃত ওই টাকা অধ্যক্ষসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভাগাভাগি করে নেন। আমরা এই অনৈতিক কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও উল্লেখিত টাকা অবিলম্বে নোটিশ দিয়ে ফেরত দেয়ার অনুরোধ করছি। এছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ৫ম শ্রেণী, ৮ম শ্রেণী ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন। যার পরিমাণ প্রায় ৩ (তিন) কোটি টাকারও বেশী। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয়ের জন্য আর্থিক বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে কমিটি থাকা সত্ত্বেও কমিটির মতামত উপেক্ষা করে বিল পাশ করার চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে কেনাকাটা ও ব্যয় খাতগুলাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে ও ভেঙ্গে পড়া প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীলসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে নিশ্চিত করতে বেআইনি কার্যক্রম বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন অভিভাবক ফোরাম। এছাড়া অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া রহিত করে কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন ভর্তির সময়সীমা নির্ধারনেরও আহবান জানানো হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানীর সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসাবে সংযুক্ত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফওজিয়াকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের এই নিয়োগ আদেশে বলা হয়েছিল, তিনি নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন-ভাতা গ্রহণ করবেন এবং পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে তিনি কোনো বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়ি ভাড়াসহ যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা প্রদান করবেন।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.