উন্নয়নের একটি বড়ো বাধা হচ্ছে বেকারত্ব। এদেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৩৪ শতাংশ। লাখ লাখ বেকার তাদের পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের কাছে অভিশাপস্বরূপ। হতাশায় নিমজ্জিত এই বেকারদের বিসিএসসহ প্রতিটা চাকরির পরীক্ষার ফি উচ্চহারে গুনতে হয়। ২০১৯ সালে বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন ফি ৭০০ টাকা। সেসঙ্গে আনুষঙ্গিক আরো প্রায় ১০০ টাকা লাগবে। একে তো বেকার তার ওপর সমাজের ভ্রুকুটি আবার উচ্চহারে আবেদন ফি গুনতে হচ্ছে। সরকার বেকারদের জন্য কিছু কিছু পদক্ষেপ নিলেও তা অপ্রতুল। বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ফি এতোটাই বেড়েছে যে অধিকাংশ শিক্ষিত বেকার আবেদন পর্যন্ত করতে পারে না। হয়তো অনেকে ভাবেন আবেদনের ফি কমানো হলে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাবে। কিন্তু যাচাই-বাছাই করেই তো উপযুক্ত ব্যক্তিকে নেওয়া হবে। সরকার প্রয়োজনে চাকরির পরীক্ষায় আবেদনের ফি হিসাবে ‘ভর্তুকি ফি’ নামে একটি তহবিল গঠন করতে পারে আর বেসরকারি চাকরিতে আবেদনের জন্য একটি নির্দিষ্ট আইন থাকা উচিত। পরিশেষে বলতে চাই, হতাশায় নিমজ্জিত বেকারদের হতাশা থেকে রক্ষা করতে হলে বিসিএসসহ সকল চাকরির পরীক্ষার আবেদন ফি কমানো হোক। এটি একটি যৌক্তিক দাবি।
মো. আতাউর রহমান (সুজন)
পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপোমা ইন ব্রডকাস্ট জার্নালিজম,
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, ঢাকা
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
