এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষকদের যৌন নিপীড়ন-মাদককাণ্ডে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা!

ঢাকাঃ শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন, একসঙ্গে মাদক গ্রহণ, এমনকি গুলির মতো নানা কর্মকাণ্ডে সমালোচনার মুখে শিক্ষকরা। এতে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক অবক্ষয়ের প্রভাবে অপরাধে জড়াচ্ছেন শিক্ষকরা। আর শুধু একাডেমিক ফলাফল নয়, যাচাই-বাছাই করে নৈতিকতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।

শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন, একসঙ্গে মাদক গ্রহণ, এমনকি গুলির মতো নানা কর্মকাণ্ডে সমালোচনার মুখে শিক্ষকরা। এতে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক অবক্ষয়ের প্রভাবে অপরাধে জড়াচ্ছেন শিক্ষকরা। আর শুধু একাডেমিক ফলাফল নয়, যাচাই-বাছাই করে নৈতিকতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সমাজে নানা অবক্ষয়ের ফলে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরাও জড়াচ্ছেন নানা অপরাধে।

এ বিষয়ে অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, শিক্ষক অপরাধের বাইরে থাকবে–এমন মনে করা ঠিক না। এখন যত দ্রত এর বিচার কিংবা তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে বিষয়টিকে সুরাহা করার ব্যবস্থা করা যায়, ততই মঙ্গল।

একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।
রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকার উপাচার্য ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল বলেন, শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতিত্ব বা রাজনৈতিক প্রভাবের মতো বিষয়গুলো সঠিক শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক। নম্বরই তো সব নয়, তার নৈতিকতার প্রসঙ্গটাও একটা বড় বিষয়।

এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের মনিটরিং বাড়ানোর পরামর্শও বিশেষজ্ঞদের।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১১/০৩/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.