ঢাকাঃ ২০০৯ সালে ২৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ২৩,৯৪৯ প্রার্থী। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ২০১১ সালে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১,৭২২ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশ করা হয়েছিল।
তবে, সেবার মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) ডাক পেয়েও অংশ নিতে পারেননি দেবদাস বিশ্বাস নামের এক প্রার্থী।
জানা গেছে, ২০০৯ সালে ২৯তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন দেবদাস বিশ্বাস। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ২০১০ সালে মৌখিক পরীক্ষার সময় টাকা জমা দেওয়ার রসিদ সঙ্গে না আনায় বাতিল করা হয় তার মৌখিক পরীক্ষা। এ বিষয়ে ২০১১ সালে আদালতে রিট করেন তিনি। দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর পর আইনি লড়াই শেষে পিএসসিকে তার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে দেবদাস বিশ্বাসের মৌখিক পরীক্ষা নিতে বিশেষ বোর্ড গঠন করেছিল সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেওয়া হয়েছে দেবদাস বিশ্বাসের মৌখিক পরীক্ষা।
আদালতের নির্দেশের পর পিএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২৯তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী দেবদাস বিশ্বাসের (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ০০১৫৭৫) মৌখিক পরীক্ষা ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।”
ওই দিন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে দেবদাস বিশ্বাসের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে পিএসসির একটি সূত্র জানিয়েছে।
পিএসসির ক্যাডার শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যথাযথ নিয়ম মেনে বিশেষ বোর্ড বসিয়ে ১৩ বছর পর ভাইভার ডাক পাওয়া দেবদাস বিশ্বাসের ভাইভা নেওয়া হয়েছে। এখন তাকে ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। তবে যদি তিনি ভাইভায় পাস করেন, তাহলে তার ফল প্রকাশিত হবে। কেননা, যারা পাস করেন না, তাদের ফল প্রকাশ করে না পিএসসি।”
তবে দেবদাস বিশ্বাসের এখন কী করেন সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা কোনো তথ্য প্রকাশে রাজি হননি।
এ বিষয়ে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আনন্দ কুমার বিশ্বাস বলেন, “২৯তম বিসিএসের প্রার্থী দেবদাস বিশ্বাস যখন মৌখিক পরীক্ষা দেন, সে সময় মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে টাকা জমা দেওয়ার রসিদ সঙ্গে আনার নিয়ম ছিল। কিন্তু রসিদ সঙ্গে না আনায় দেবদাস বিশ্বাসকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনি আদালতে রিট করেছিলেন। আদালতের চূড়ান্ত রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর আবার তাকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।”
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৫/০৩/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
