নেত্রকোনাঃ কেন্দুয়ায় একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দুই পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়ার অভিযোগে ওই কেন্দ্রের সচিব ও হল সুপারসহ চারজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতি দেওয়া শিক্ষকদের স্থলে অন্য চারজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কারণ দর্শানোর নোটিশসহ বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজিব হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন কেন্দুয়া সায়মা শাহজাহান একাডেমির কেন্দ্র সচিব ও মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন দেবনাথ, হল সুপার ও আবদুর রহমান স্মৃতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া, পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সায়মা শাহজাহান একাডেমির সহকারী শিক্ষক সুব্রত লাল ভট্টাচার্য ও মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসির উদ্দিন। তাদের পরিবর্তে গন্ডা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলোয়ার হোসেনকে কেন্দ্র সচিব, গগডা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে হল সুপার এবং নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলমগীর ও গন্ডা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নয়ন চন্দ্রকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ও কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এসএসসির গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষায় সায়মা জাহান একাডেমির কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় এক প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধির ছেলে এবং ভাতিজি অংশ নেয়। কিন্তু কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ওই দুই শিক্ষার্থীকে নকলের সুযোগসহ অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। এসময় অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ঘটনার প্রতিবাদ করেন।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৭/০২/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
