ঢাকাঃ উচ্চশিক্ষার জন্য রাশিয়া যেতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকার রাশিয়ান হাউসের পরিচালক পাভেল দভয়চেনকভ।
দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫২তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গত সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকায় রাশিয়ান হাউসে বাংলাদেশ-রাশিয়া মৈত্রী সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি মান্টিটস্কি।
পাভেল দভয়চেনকভ বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ সরকারি বৃত্তি নিয়ে রাশিয়ায় পড়তে যান এবং তারা উচ্চশিক্ষা শেষ করে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে সক্রিয় হন। বর্তমানে তাদের মধ্যে ৬ হাজারের বেশি সোভিয়েত ও রাশিয়ান গ্র্যাজুয়েট বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চ পদে কর্মরত রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে রাশিয়ান সরকার ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা বাড়িয়ে ১২৪ করেছে।
ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়াতে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। ঢাকায় রাশিয়ান হাউস বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগের পাশাপাশি রাশিয়ান ভাষা কোর্সের উন্নয়নে কাজ করছে।
পাভেল দভয়চেনকভ বলেন, রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও দৃঢ় সম্পর্ক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত এবং ভবিষ্যতে দীর্ঘকাল অব্যাহত থাকবে।
এ সময়ে রুশ রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি মান্টিটস্কি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাঙালিদের প্রতি সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থনের পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করছি এবং সহযোগিতার নতুন সম্ভাব্য উপায় অন্বেষণ করছি। আমরা আমাদের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার লালন করি এবং নতুন অর্জন এবং স্বপ্ন ভাগাভাগির জন্য উন্মুখ থাকি।
বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভাইস চ্যান্সলর অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার ও বাংলাদেশে বেলারুশ প্রজাতন্ত্রের অনারারি কনস্যুলেট অনিরুদ্ধ কুমার রায়।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/৩১/০১/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
