কুড়িগ্রামঃ সরকারি ৬টি বড় গাছ প্রকাশ্যে নিলামের আগেই গোপনে কর্তন করায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটিসহ অভিভাবকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। গতকাল শুক্রবার কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাক্তাবাড়ী সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে একাধিক ব্যক্তি ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে মৌখিক অভিযোগ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রৌমারী সদর ইউনিয়নের চাক্তাবাড়ী সরকারি প্রথমিক বিদ্যায়লয়ের সীমানায় ২৫/৩০ বছর আগে প্রায় ৫০টির মতো ইউক্যালিপ্টাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন। প্রধান প্রধান শিক্ষক আবু জাফর বুলবুল ও ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি আঞ্জুমানআরা ২০১৯ সালের আগস্টে একটি রজুলেশন করে গাছগুলো বিক্রির জন্য আবেদন করেন। তৎকালীন ইউএনও দীপঙ্কর রায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তহশিলদার রজব আলীকে দায়িত্ব দেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে একই সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ইউএনওর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রধান শিক্ষকের জালিয়াতির বিষয়টি গ্রামবাসী জানতে পারেন এবং গাছগুলো কাটতে বাধা দেন।
প্রধান শিক্ষক আবু জাফর বুলবুল বলেন, ২-৩ দিন আগে রেজুলেশন করে আবেদন করি। পরে তহশিলদার তদন্ত করে গাছগুলো ছোট বলে কাটার জন্য না করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। গাছগুলো বড় হওয়ায় এবং স্কুলের আসবাবপত্র তৈরির জন্য ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।
বনবিভাগ কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, আমি কিছু জানি না।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, প্রধান শিক্ষক নিলাম ছাড়া কোনো গাছ কাটতে পারেন না। কেটে থাকলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২০/০১/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
