প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিগত অনুমোদনের পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর খসড়া নীতিমালা তৈরির কাজ করছে।
বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বোর্ড হলে তার অধীনে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।
এ ছাড়া প্রাথমিকের চেয়ে অনেক কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী নিয়েও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে বেশ কয়েকটি (১১টি) শিক্ষা বোর্ড রয়েছে। বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা বিবেচনা করেই ‘প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড ’ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারের ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তাবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিটকে’ বিলুপ্ত করে এর জনবল ‘প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডে’ একীভূত করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির এডুকেশন বাংলাকে বলেন, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের খসড়া নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। এই খসড়া নীতিমালা পরবর্তিতে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তারপর অনুমোদন পেলে চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হবে। তবে খসড়া নীতিমালায় কি থাকছে- এ বিষয়ে তিনি এখনই কথা বলতে রাজি হননি।
বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে প্রায় ৬৬ হাজার। প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখের মতো শিক্ষার্থী প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেয়। ২০০৯ সালে সারা দেশে পঞ্চম শ্রেণি শেষে কেন্দ্রীয়ভাবে সমাপনী পরীক্ষা চালু হয়।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল