এইমাত্র পাওয়া

চার কলেজের পাস করেনি কেউ ও চারটিতে একজন করে পাস

জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও:

২০২৩ সালের সকল শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের হার মোটামোটি ভালো থাকলেও জেলার ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের সংখ্যা শূন্য এবং চারটিতে পাস করেছে মাত্র একজন করে।

রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার ঢাকা মেইলকে ওয়েব ভিত্তিক একটি ফলাফলের তালিকা দেন। সেই তালিকায় দিনাজপুর বোর্ডের অধিনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় ঠাকুরগাঁওয়ের ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফল।

১ জনও পাস করেনি যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে-মোড়লহাট জনতা স্কুল এন্ড কলেজ, হাজীপুর কলেজ, কদমরসুল হাট স্কুল এন্ড কলেজ ও পীরগঞ্জ আদর্শ কলেজ।

১ জন করে পাস করেছে যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেসব প্রতিষ্ঠান হলো- রত্নাই বগুলাবাড়ী হাই স্কুল এন্ড কলেজ, বাশগাড়া আইডিয়াল কলেজ, ঠাকুরগাঁও নিউ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ও কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।

এবারে ঠাকুরগাঁও জেলায় ৩৬ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ১৪ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ২০ টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ৮ হাজার ৯৫৬ জন, ০৫ টি কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৩৫ জন ও ১১ টি কেন্দ্রে ভোকেশনাল ও বিএম শাখায় ৪ হাজার ৮০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

জানতে চাইলে সদর উপজেলার কদম রসুল হাট স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বাবুল বলেন, ‘আমাদের কলেজ থেকে শুধু মানবিক বিভাগ থেকে মোট ৪জন শিক্ষার্থী পরিক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ পাস করতে পারেনি।,

পাস না করতে পারার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ‘এদিকে গ্রামাঞ্চলের ছেলে মেয়ে গুলো তেমন কলেজে আসে না ও ক্লাশ করতে চায় না। শিক্ষকরা প্রতিদিন কলেজে আসলেও ক্লাশে তেমন ছাত্র-ছাত্রী আসতো না। আবার যারা আসতো তাদের মধ্যে শুধু মাত্র ৪ জন পরীক্ষা দিয়েছে। বাকি প্রায় আরও ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ-ই করেনি। পড়াশোনা না করে কি পরীক্ষায় পাস করা যাবে? যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারা হয়তো ভালোভাবে পড়াশোনা করেনি। এ কারণে হয়তো তারা পাস করতে পারেনি।,

এইচএসসি ও সমমান পরিক্ষায় জেলা মোট পাস ফেল এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যার বিষয়ে তাৎক্ষনিক জানাতে পারেনি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার। তিনি বলেন,‘ মোট পাস ফেল ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ফলাফল উল্লেখ করে বোর্ড আমাদের ফলাফল প্রেরণ করেন না। আমাদেরকে সে গুলো হিসাব করে বের করতে হয়। তাই এই মুহূর্তে সংখ্যায় বলা যাচ্ছে না।,

কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ঠাকুরগাঁওয়ে যোগদান করেছি মাত্র কয়েকদিন হচ্ছে।’ তাই তিনি এবিষয়ে তেমন কোন মন্তব্য করেনি।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৭/১১/২০২৩  

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.