এইমাত্র পাওয়া

অধ্যক্ষ ও সভাপতির অডিও ফাঁস: অনিয়মে ডুবছে মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ

আল আমিন হোসেন মৃধা, ঢাকাঃ রাজধানীর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওভুক্তির জন্য মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্যের কয়েকটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। এই অডিও রেকর্ডগুলো নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে চলছে তোলপার। এর আগে গত ২৭ মে ২০২৩ ইং তারিখে ‘মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: সভাপতি-অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচার‘ শিরোনামে শিক্ষাবার্তা’য় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা ক্যাডার অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান খান, গভর্নিং বডির সভাপতি আবদুল মতিন ভূঁইয়া ও গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য কোচি এবং শিক্ষক প্রতিনিধি কামরুজ্জামানের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড শিক্ষাবার্তা’র হাতে রয়েছে।

অডিওতে শোনা যায়, সভাপতির কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি বলছেন, আপনাদের এমপিও এনে দিতে আমরা অর্থ খরচ করবো। গভর্নিং বডি বিদ্যোৎসাহী সদস্য কোচি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, টাকা ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোন কাজ করে না। অধ্যক্ষের কথোপকথনে বোঝা যাচ্ছে তিনি বিদ্যোৎসাহী সদস্য কোচি এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে অর্থ প্রয়োজন যে আলাপ করছেন বিষয়টিকে সম্মত জানিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি কামরুজ্জামানের কথোপকথনের বোঝা যাচ্ছে তার ওপর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে অর্থের মাধ্যমে  কোন কোন শিক্ষকদের এমপিও এনে দিতে পারে তার তালিকা তিনি তৈরি করে যাচ্ছেন। অর্থ

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির মতিঝিল ও বাসাবো শাখার স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ের এই ৩৫ শিক্ষক কর্মচারীর নিয়োগের সময় নন এমপিও এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বেতন ভাতা প্রদানের শর্তে নিয়োগ দিয়েছিলেন তৎকালীন গভর্নিং বডি। যার রেজুলেশনও করা হয়েছিল।  তবে সেই রেজুলেশন টেম্পারিং করে তাদের এমপিওভুক্তি করার জোর তদবির চালাচ্ছেন গভর্নিং বডির সভাপতি এবং অধ্যক্ষ এবং কয়েকজন সদস্য। এজন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের নিকটি থেকে জনপ্রতি অন্তত লক্ষ টাকার উপর নেওয়া হয়েছে।

আর এই এমপিওভুক্তির জন্য তালিকার দায়িত্বে শিক্ষক প্রতিনিধি কামরুজ্জামানের। তোলা হয়েছে অর্থ। মূলত মোটা অংকের অর্থের মাধ্যমে  এই শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির জন্য অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান খান, গভর্নিং বডির সভাপতি আবদুল মতিন ভূঁইয়া ও গভর্নিং বডি বিদ্যোৎসাহী সদস্য কোচি এবং শিক্ষক প্রতিনিধি কামরুজ্জামান।

আর এই শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করতে পারলেও নতুন করে আরও শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে মোটা অংক হাতিয়ে নিতে পারবেন বলেই এমপিওভুক্তিতে এত তোরজোড় শুরু করেছেন তারা। মতিঝিলের মূল ক্যাম্পাস ও বাসাবোর শাখা মিলে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থীর এ প্রতিষ্ঠানটিতে তিনশর বেশি শিক্ষক এবং শতাধিক কর্মচারী রয়েছে। অতিরিক্ত শিক্ষক থাকার পরও নিয়োগে অনিয়ম, অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতেই নতুন করে চলতি বছরে গত  জুলাইয়ের শেষে ও আগস্টের শুরুতে ইংরেজি মাধ্যমের (ইংলিশ ভার্সন) জন্য শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শিক্ষক নিয়োগের ওই বিজ্ঞপ্তিতে সহকারি প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১০ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে। যদিও শুরু থেকেই ইংলিশ ভার্সনে বাংলা ভার্সনের শিক্ষকরাই ক্লাস নিয়ে আসছেন। আর গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও আর্থিক অনিয়ম উঠায়  এই নিয়োগ এখনও সম্পন্ন করতে পারেনি। এরই মধ্যে নতুন করে এমপিওভুক্তির জন্য মোটা অংকের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকারের স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির দিবা শাখার পদার্থ বিষয়ের শিক্ষিকা মৈত্রী গোস্বামী। শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি করিয়ে দিবেন বলে তিনি নিজে তার স্ত্রীকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম বানিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠান কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমান সভাপতি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদে থাকা আবদুল মতিন ভূঁইয়া প্রতিটি কথায় একজন মন্ত্রীকে তার কাছের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেন। এ প্রতিষ্ঠানে তিনি যাই করেন কিংবা করবেন তার জন্য তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কোনো কৈফিয়ত দিতে হবে না বলেও জানান। আর বর্তমান অধ্যক্ষ দম্ভের সাথেই বলেন, তিনি বর্তমান সভাপতি মতিন ভূঁইয়ার সহযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠানে এসেছেন। এখান থেকে সহসা যাচ্ছেন না; শিক্ষক-কর্মচারীরা তার কথা শুনতে বাধ্য।  এছাড়া বিদ্যোৎসাহী সদস্য কোচি নিজেকে শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্টজন পরিচয় দিয়ে বেড়ালেও আদতে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। তিনি মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, গভর্নিং বডির মোট দশ জন সদস্যের মধ্যে চারজন হচ্ছে শিক্ষক প্রতিনিধি (প্রাথমিক) নির্মলেন্দু গুন, সাইফুল অভিভাবক প্রতিনিধি (প্রাথমিক), অভিভাবক সদস্য (মাধ্যমিক মোঃ আব্দুল্লাহ এবং সংরক্ষিত অভিভাবক সদস্য অজিফা খানম কোন ধরনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বাক্ষর করেনি। এছাড়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ২০২২ সালের  ৭ নভেম্বর মোঃ আব্দুল্লাহ এবং অজিফা খানমকে অভিভভাবক প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দিলেও প্রতিষ্ঠানটিতে আজ পর্যন্ত তাঁদের ঢুকতে দেয়নি গভর্নিং বডির সভাপতি।

২২ অক্টোবর ২০১৫ সালের পর থেকে ম্যানেজিং কমিটি কিংবা গভর্নিং বডির মাধ্যমে বেসরকারি নিন্ম মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক (প্রধান শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ বাদে) নিয়োগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়। ২২ অক্টোবরের পর থেকে বেসরকারি স্কুল কলেজের নিয়োগের এখতিয়ার একমাত্র এনটিআরসিএর। অর্থাৎ স্কুল কিংবা কলেজে শিক্ষক প্রয়োজন হলে তার শুণ্যপদে চাহিদা এনটিরআরসিএ তে পাঠাতে হবে তারা শিক্ষক নিয়োগ দিবেন। তবে এই পরিপত্রকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে নিয়োগ দিয়েছেন এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসছে গভর্নিং বডি। বিষয়টি এমন অন্য সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র কার্যকর আর মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ক্ষেত্রে নিয়ম ভিন্ন।

শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত ঢাকা উদ্যান সরকারি মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমান  বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিল মডেলে অধ্যক্ষ পদে গত ৩০ মার্চ প্রেষণে নিয়োগ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিনি ২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেন। কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা ভেবেছিলেন নতুন এই অধ্যক্ষ আসলে প্রতিষ্ঠানের পড়াশোনার মান বাড়বে এবং অনিয়ম  কমবে। কিন্তু বাস্তবে তা উলটো দেখা গেছে। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের বদলি করা শুরু করেন এবং গভর্নিং বডির সাথে মিলে মিশে অনিয়ম দুর্নীতিতে একাকার হয়ে  হয়ে পড়েছেন।

এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০২১ এর ১৭.৮ এ উল্লেখ,আছে, এম.পি.ও.ভুক্তি সংক্রান্ত সভা আহবান, রেজুলেশন লেখা, স্বাক্ষর ইত্যাদিতে অযৌক্তিক কালক্ষেপণ ও অনৈতিক কর্মকান্ডের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেলে এবং এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকলে তাঁর বেতন-ভাতাদি স্থগিত/বাতিলসহ তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি/ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান দায়ী থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি/ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের পদশূন্য ঘোষণাসহ তাঁদের বিরুদ্ধেও মন্ত্রণালয় কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া ১৭.৯ ধারায় অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন করা, ভূয়া বা জাল কাগজপত্র দাখিল, প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও আবেদন প্রেরণ করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/শিক্ষক/কর্মচারী/প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি / গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান দায়ী থাকবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়মে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কিংবা তার আওতাধীন অফিসের কোনো কমকর্তা/কর্মচারীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেলে / দায়ী থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, ৩৫ শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগ ২০১৫ সালের আগের হলেও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে করা এই নিয়োগের ফলে পূর্বের কোন গভর্নিং বডিই তাদেরকে এমপিওভুক্ত করতে পারেনি। যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ না হয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে হওয়ায় সঠিক প্রক্রিয়ায় এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই।

একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,  ২০২১ সালের ৫ মে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ পদে প্রেষণে পদায়ন পেয়েছিলেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ড. মুন্সী শরীফ-উজ্জামান। তিনি কোন ধরণের অনিয়মের সাথে আপোষ না করায় তাঁকে বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে চলতি বছরের শুরুতে তাকে প্রেষণ প্রত্যাহার করে ওএসডি করা হয়েছিলো।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকারের মুঠোফোনে কল করলে তা বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান খান আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, কোন আর্থিক লেনদেন হয়নি। এক পয়সাও খরচ করতে হবে না এমপিওভুক্তিতে। এনটিআরসিএতে চাহিদা না দিয়ে কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দিচ্ছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটা আগের নিয়োগ সমন্বয় করছি আমরা। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি। নিয়ম মাফিক হয়েছে।

জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবদুল মতিন ভূঁইয়া শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, আসলে যারা এমপিওভুক্ত হতে পারছে না তারাই এসব অভিযোগ নিয়ে আপনাদের দপ্তরে ঘুরছেন। বিভিন্ন সময়ে গভর্নিং বডির সভাপতিরা তাঁদের এমপিওর জন্য কেন চেষ্টা করেননি জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সেটা আমি বলতে পারব না। তবে আমরা চেষ্টা করছি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিরাপত্তার কথা ভেবে। অডিও রেকর্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, আর্থিক লেনেদেনের বিষয়ে কোন কথা হয়েছে কি’না আমার জানা নেই। আমি সবার সাথেই কথা বলি। আমাকে একজন রিক্সা চালক ফোন করলেও আমি ধরি। আমি প্রতিষ্ঠানটিকে মন্দির মনে করি। অর্থ ইনকামের জন্য আমার বিভিন্ন ব্যবসা আছে যেখানে চাইলেই পারি। এনটিআরসিএ তে কেন চাহিদা না দিয়ে আপনারা নিয়োগ দিয়ে তা এমপিওর জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আসলে এই নিয়োগটা অনেক আগের। আমরা বর্তমানে সমন্বয় করছি।

মাউশির বেসরকারি কলেজ শাখার উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, আর্থিক অনিয়মের কোন অভিযোগ মাউশিতে আসেনি। অভিযোগ আসলে অবশ্যই আমলে নিয়ে আমরা ব্যবস্থা নিব। আর টাকা দিয়ে মাউশিতে এমপিও করার কোন ধরনের সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, যে দুই জন সদস্যের কথা বললেন মহামান্য হাইকোর্টের একটি জাজমেন্ট আছে তাদের দায়িত্ব বুঝে দেওয়ার সেই চিঠি আমরা গভর্নিং বডিকে দিয়েছি। কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের কোন লিখিত অভিযোগ যদি আমাদের কাছে আসে আমরা অবশ্যই তদন্ত করব এবং তদন্তে প্রমাণিত হলে সেই কমিটি অবশ্যই আমরা ভেঙ্গে দিব।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৫/১১/২০২৩ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.