এইমাত্র পাওয়া

দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৫জনের বিরুদ্ধে মামলা

সাফায়েত দশমিনা প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩), উপ-পরিচালক (কলেজ-১), পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন), মহা-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা ভবন ঢাকা, মাননীয় সচিব শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ঢাকা’কে বিবাদী করে ২৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ মোকাম দশমিনা বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে মামলা করেছেন (মামলা নং-দেং মং নং-৮২/২০১৯) দশমিনা সরকারি আবদুর রসিদ তালুকদার কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুচেতা দাস।

পরবর্তীতে ৩ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে ২নং বিবাদী কর্তৃক প্রদত্ত গত ১৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখের স্মারক নং-৭জি/১৯২ (ক) ৩/৬ (অংশ-১)/৪৫১০ এর যাবতীয় কার্যক্রম স্থাগতির অবদান করা হয়েছে। কলেজ সূত্রে জানা যায় গত ১৬ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ দশমিনা আবদুর রসিদ তালুকদার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লতিফ শেখ শারীরিক অসুস্থতা জনিত কারণে অব্যহতি চেয়ে কলেজের গভর্নিং বডি বরাবরে আবেদন করলে তাকে অব্যহতি দেওয়া হয়। পরর্বতীতে নিয়োগ বিধি নঙ্ঘন করে জেষ্ঠ্যতার ৯ম শিক্ষক সুচেতা দাস’কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে কলেজটি সরকারি ঘোষনা হলে গভর্নিং বডি বিলুপ্ত হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করায় কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এতে কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যহত হতে থাকে। বিধি মোতাবেক জেষ্ঠ্যতা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়ীত্ব প্রদানের জন্য মহা-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবরে শিক্ষকদের আবেদন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ডিও পত্র প্রদান করলে সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা কর্তৃক সরকারী আবদুর রসিদ তালুকদার কলেজের শিক্ষকদের জেষ্ঠ্যতা নির্ধারণের লক্ষ্যে সকল শিক্ষকদের তথ্য ০৭ (সাত) কর্ম দিবসের মধ্যে প্রেরন করতে বলা হয়। অফিস আদেশ পাওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুচেতা দাস উপরোক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানী মামলা করেন।

এ বিষয়ে দশমিনা সরকারি আবদুর রসিদ তালুকদার কলেজের সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি মামলার বিষয়ে অবগত নই। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নির্বাহী অফিসার’কে বিবাদী করে মামলা করতে পারে না।

এ বিষয়ে দশমিনা সরকারি কলেজের বাংলা প্রভাষক মোঃ আবু জাফর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুচেতা দাস মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৬ই জুন ২০১১ ও ৯ জুলাই ২০১২ তারিখের প্রেরিত পরিপত্র-শিম/শা:১১/৩-৯/২০১১/৪৮৪ নং অনুযায়ী জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন করে বিধি বহির্ভূতভাবে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সকল শিক্ষকের তথ্য প্রেরনের জন্য একটি অফিস আদেশ দিয়েছে, কিন্তু সে তথ্য প্রেরন না করে কেন মামলা করেছেন তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানার জন্য ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে ও কলেজের নম্বরে ফোন করলে সে ফোন রিসিভ করেন নি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.