নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ময়মনসিংহ জেলাধীন গফরগাঁও উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের পাদদেশে অবস্থিত নারী শিক্ষা বিস্তারের একমাত্র প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭২ সালের ১৫ই জুলাই ৪ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ১৯৮৭ সালে কলেজটির স্বীকৃতি লাভ করে। অতপর প্রয়াত সাংসদ জননেতা আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ ১৯৯৩ সালে কলেজটির হাল ধরে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের এমপিও ভুক্তিসহ প্রভূত উন্নয়ন সাধন করেন।
তারই সুযোগ্য উত্তরসূরী বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল কলেজটির জিবির সভাপতিত্ব গ্রহণ করে অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ফলশ্রুতিতে প্রতি বছরেই HSC পরীক্ষায় সর্বোচ্চ এ প্লাসসহ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি University তে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে নিচ্ছে এ কলেজের ছাত্রীরা!
HSC তে বর্তমান শিক্ষার্থী ১৭৯৪ জন।
উল্লেখ্য যে, ২০০৮ সালে কলেজটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়ায় ডিগ্রি পাস কোর্স চালু করে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিধি মোতাবেক ১২ জন শিক্ষক ও ৩ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ করে এলাকার অসহায়, হতদরিদ্র, শ্রমিক শ্রেণির ৩৬২ জন ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষার্থীকে পাঠ দান করে যাচ্ছেন-এম এ পাশ করা এ মানুষ গুলি!
তাঁদের পরিশ্রমে অর্জিত গত তিন বছরের ফলাফল-
২০১৭- মোট পরীক্ষার্থী=৭৬, পাশ=৫৪, পাশের হার=৭১.০৫%, প্রথম বিভাগ =১৪ জন।
২০১৬- মোট পরীক্ষার্থী=৫২, পাশ=৪৩, পাশের হার=৮২.৬৯%, প্রথম বিভাগ =১৪ জন।
২০১৫- মোট পরীক্ষার্থী=৭৭, পাশ=৫৭, পাশের হার=৭৪%, প্রথম বিভাগ =০৭ জন।
এমপিও-র ২২ নং ধারা মোতাবেক নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ কলেজটি এমপিও ভূক্তির দাবী রাখে।
এছাড়া অসংখ্য অসঙ্গতির মধ্যে গফরগাঁও মহিলা কলেজটির ডিগ্রি স্তর এমপিও ভুক্ত না হওয়া যথেষ্ট লজ্জার বিষয়!
অত্র কলেজের অধ্যক্ষ বলেন,অতি কষ্টের সাথে জানাচ্ছি এবং বিনয়ের সাথে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি,বিনাবেতনে এ মানুষ গুলোর প্রতি একটু মানবিক হউন, যাতে করে আমার এ শিক্ষকবৃন্দ ইজ্জতের সাথে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে পারেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল