গত ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ২৭৩০টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা করেন। তিনি আরো জানান যে,প্রতি বছর যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। তালিকা প্রকাশের পর গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অসঙ্গতির তথ্য প্রকাশ হয়। ভুল নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোই মূলত কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই করে দেখেছেন।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ভুলক্রমে তালিকায় ঢুকে পড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত হয়েছে। কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে, কার ভুলে এসব প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করার দিকে যাননি কর্মকর্তারা। তার বদলে মোটামুটি ভুল বা যুদ্ধাপরাধীদের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারিকরণ ও ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পর্কে একটা সারাংশ তৈরি করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা।
স্বীকৃতির সমস্যার কারণে ভুল হওয়া প্রতিষ্ঠানও চিহ্নিত হয়েছে। এসব ভুল প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরিতে মাঠ পর্যায় থেকে সহায়তা করেছেন জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। শুক্রবার দিনভর রাজধানীর পলাশীর ব্যানবেইস ভবনে কাজ করেছেন মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তা। তাদেরকে সহায়তা করেছেন ব্যানবেইসের একজন নিজস্ব কর্মকর্তা। এই সারাংশটি খুব শিগগিরই শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
শিক্ষকরা আশো করছেন ভুল তথ্য দিয়ে এমপিও পাওয়া স্কুলগুলোর এমপিও স্থগিত হবে। এবং তাদের জায়গায় যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল