নাই কলেজে ব্যয় হচ্ছে শতকোটি

খুলনাঃ আড়াই বছর মেয়াদের ‘পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে। এরপর ৯ বছর ধরে চলছে কাজ। এখনো চূড়ান্ত হয়নি কলেজের নাম। দায়িত্বশীল পদ বা কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। ব্যাচেলর নাকি ডিপ্লোমা—কী ধরনের সনদ দেওয়া হবে, তা নিয়েও রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব। এমনকি কলেজটি কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার অধীনে থাকবে—সিদ্ধান্তহীনতা রয়েছে তা নিয়েও। কারা পড়বে, কী পড়ানো হবে, তাও ঠিক হয়নি। বলতে গেলে, এখনো কলেজটির কোনো শিক্ষা কাঠামোই গড়ে ওঠেনি।

অথচ খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার এ কলেজটির জন্য এরই মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে সারি সারি ভবন। শুরুতে ৪৫ কোটি টাকা অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পের বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০১ কোটি টাকা। ভূমি অধিগ্রহণ, উন্নয়ন ও ভবন নির্মাণে এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়ে গেছে ৪৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। ভবন নির্মাণ শেষে কার কাছে হস্তান্তর করা হবে—এখন পর্যন্ত তা জানে না তারা।

প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল হাসেম সরদার জানান, ‘পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্পে অবকাঠামো নির্মাণের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে। ভবনগুলোর মধ্যে কোনোটার কাজ প্রায় শেষ, কোনোটার আবার শেষের দিকে।’

তিনি বলেন, ‘একাডেমিক কার্যক্রমের বিষয়টি দেখবে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। উনারা উদ্যোগ নেবেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মূলত নির্মাণকাজ করে, বাকিগুলো মন্ত্রণালয়ের কাজ। একাডেমিক কাঠামো না থাকায় ভৌত কাজ ছাড়া এখন কোনো কাজ করা হচ্ছে না। মন্ত্রণালয় যখন এগুলোর উদ্যোগ নেবেন তারপর এই প্রক্রিয়াগুলো আসবে।’

জানা গেছে, ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা সফরকালে পাইকগাছায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২০১০ সালের ২৯ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত একনেক সভায় মোট ৪৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ২০১৬ সালের জুনে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা।

জানা গেছে, একনেকে পাস হওয়ার পর কাজ শুরু করতেই পেরিয়ে যায় দেড় বছর। কলেজ স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য পাইকগাছার শিববাটি এলাকায় ২৫ একর জমি নির্বাচন করা হয়। তবে জায়গাটি নিচু, তা ভরাট করতে প্রয়োজন হয় বাড়তি টাকা। এ কারণে ২০১৬ সালে প্রকল্পের ব্যয় ৭৭ কোটি টাকা বাড়িয়ে ১২২ কোটি করার প্রস্তার করা হয়। তবে ১২ ফুট নিচু জমি নির্বাচন করায় ২০১৬ সালের অক্টোবরে একনেক সভায় প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। এর প্রায় ১০ মাস পর ২০১৭ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পটি পুনরায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এবার ব্যয় ধরা হয় ১০১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, যার মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০১৪ সালের জুলাই থেকে থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত। পরে করোনাসহ বিভিন্ন কারণে মেয়াদ বাড়ে কয়েক দফা। সর্বশেষ বাস্তবায়নের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত।

বারবার মেয়াদ বাড়ানোর কারণে আড়াই বছরের প্রকল্প বাস্তবায়নে এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে ৯ বছর। কিন্তু তাতেও প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের গড় অগ্রগতি ৭০ শতাংশ। সর্বশেষ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই প্রকল্পের শুরুতেই ছিল গলদ। কলেজ স্থাপনের জন্য এমন জায়গা নির্বাচন করা হয় যেখানে বছরের অধিকাংশ সময় ৪ থেকে ৫ ফুট পানি জমে থাকত। আশাপাশে ছিল না কোনো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। কলেজ স্থাপনের জন্য উপকূলীয় অঞ্চলের এমন জায়গা নির্বাচন করায় ভূমি উন্নয়নে অতিরিক্ত সময় লেগে যায়। ব্যয় বাড়ে ৫৬ কোটি টাকা।

অবকাঠামো নির্মাণে এই ধীরগতির বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল হাসেম সরদার বলেন, ‘২০১৪ সালে প্রকল্প শুরু হলেও জমি অধিগ্রহণ এবং ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম শেষ করে মূলত ২০১৮ সালে। নিচু জমি হওয়ায় এটা অনেকটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। সেটা ভরাট করে রাস্তার সমান করে নির্মাণকাজ শুরু করতে হয়। এ ছাড়া করোনা পরিস্থিতির কারণেও কাজ বন্ধ ছিল।’

নিচু জমি নির্বাচনের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তো শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কাজ না। এই জমি নির্বাচন করেছিলেন ডিসি অফিস এবং স্থানীয় রাজনীতিবিদরা। তাদের পছন্দেই এই জায়গা নির্ধারণ করা হয়। তখন পানি জমে থাকত। তবে ভরাট করার পর এখন আর পানি জমে না।’

প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত প্রকল্পের ৭০ শতাংশ ভৌত কাজ শেষ হয়েছে। কোনো কর্তৃপক্ষ নিয়োগ না হওয়ায় অভিভাবকহীনভাবেই চলছে নির্মাণকাজ। ভবন নির্মাণ শেষ হলে তা বুঝে নেওয়ার কেউ না থাকায় প্রকল্পের বাকি কাজ অগ্রসর হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কলেজটির প্রশাসনিক সংযুক্তি নির্ধারণ না হওয়ায় এবং হস্তান্তরযোগ্য কর্তৃপক্ষ (ব্যবহারকারী) না থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে অবকাঠামোগুলোর বৈদ্যুতিক ফ্যান, লাইট, স্যানিটারি ফিটিংসসহ বেশ ‍কিছু কাজ করছে না ঠিকাদার। এ ছাড়াও যথাযথ প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ না থাকায় আসবাবপত্র সরবরাহ, স্যালাইন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ডিজিটালাইজেশন অব ক্যাম্পাসের আওতায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় প্রক্রিয়াও শুরু করা যাচ্ছে না। শিক্ষার ধরন, পাঠ্যক্রমসহ একাডেমিক কাঠামো নির্ধারিত না হওয়ায় ল্যাবের যন্ত্রপাতি, বই, জার্নাল ইত্যাদির ক্রয় এবং রাজস্ব বাজেটের আওতায় শিক্ষক ও সহায়ক জনবলের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

এসব কারণে বারবার চিঠি দিয়ে কলেজের প্রশাসনিক সংযুক্তি, একাডেমিক অধিভুক্তি ও রাজস্ব বাজেটের আওতায় জনবল কাঠামো তৈরি এবং নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ জানায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। কিন্তু এসব বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ভূমিকা উদ্যোগী ভূমিকা নিচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রস্তাবিত কলেজটির একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ২০২১ সালের এপ্রিলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে চিঠি দেয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী বিভাগ। দু বছর পার হলেও মেলেনি কোনো সদুত্তর। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি দেয়া হয়। বারবার চিঠি দিয়েও কোনো সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় এবং প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ করার জন্য আরও ২ বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

এদিকে কলেজটিতে প্রশাসনিক কাঠামো নিয়োগ এবং কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কী কলেজ হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলোচ্য কলেজটির প্রকল্প দলিলে ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) ইন এগ্রিকালচার কোর্স, ৫ বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স, ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) ইন মানগ্রোভ ফরেস্ট্রি ও ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি (অনার্স) ইন মেরিন ফিসারিজ কোর্স চালুর সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু গত বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এডিপি পর্যালোচনা সভায় ব্যাচেলর ডিগ্রির পরিবর্তে কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘নতুন এই প্রতিষ্ঠানের স্বল্প দূরত্বে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থাকায় এত নিকটবর্তী স্থানে টারশিয়ারি পর্যায়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরেকটি প্রতিষ্ঠান থাকা সমীচীন নয়।’

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটিতে কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স চালু করার সিদ্ধান্ত হয়। গত বছরের ১৩ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় প্রতিষ্ঠানটিকে অধিভুক্ত করে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু দুবার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও এখনো সেই সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। অজানা কারণে কলেজটিতে কৃষি ডিপ্লোমা কোর্স চালু করার লক্ষ্যে মাউশি বিভাগে সভা আহ্বানের পরেও দুটি সভাই বাতিল হয়ে যায়। ফলে কলেজটিতে একাডেমিক কার্যক্রম চালুর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং একাডেমিক অধিভুক্তির বিষয়ে জানতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তার মোবাইল ফোন নম্বরে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপ এবং মোবাইল ফোনে খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

পরে মাউশির উপসচিব এস এম ইমরুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশাসনিক বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। এরপর প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কলেজ উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুন নুর মুহম্মদ আল ফিরোজের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তবে এই কর্মকর্তার মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক বিভাগের শিক্ষা উইংয়ের যুগ্ম প্রধান রাহনুমা নাহিদ বলেন, ‘প্রকল্পে কোনো ধরনের অসংগতি থাকলে সেটা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রকল্প এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যেও অসন্তুষ্টি রয়েছে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে কলেজের কাজ চললেও তা দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, দ্রুত একাডেমিক সেশন চালু করার জন্য মন্ত্রণালয়কে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে। সংসদেও এ নিয়ে কথা বলেছি।

কাজটি দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে সাধারণ বিষয়ের পাশাপাশি কারিগরি বিষয়ও থাকতে হবে। তাতে করে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।’

প্রকল্পটির বিষয়ে অবহিত করা হলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দেখেশুনে মনে হচ্ছে, প্রকল্পটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের সবক্ষেত্রে পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। কোনো ধরনের পরিকল্পনা ছাড়াই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্প সরকারের টাকা অপচয়ের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল সেটা কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রকল্প প্রণয়নের আগে যে উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প প্রস্তাব এবং অনুমোদন করা হয়েছিল, সে অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। কিন্তু তারা সেখান থেকে সরে গিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার দিকে নজর দিয়েছেন। এটা করে তারা দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাদের সবার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৯/০৫/২০২৩

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তা’য়র


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.