এইমাত্র পাওয়া

এমপিওর তথ্য যাচাইয়ে হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের দুই কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

এমপিওর তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে কিছু অযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানএমপিওভুক্ত হয়েছে। এনিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা পর্যালোচনা। এসব সমালোচনার মুখে নড়েচড়ে বসেছে সরকারও। তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে কিছু অনলাইনে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত তথ্যের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। এনিয়ে দুটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও করা হচ্ছে। কমিটি দুটি কাঠামো ঠিক করে গতকাল সোমবার ফাইল উপরে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আজই এ সংক্রান্ত ফাইলের অনুমোদন দেয়ার কথা রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির। কারণ আজ জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে দুপুরে তার ব্যক্তিগত কাজে ভারতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনেও এমন তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, কোনো কোনো আবেদনকারী ভুল তথ্য দিয়ে এমপিওর তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে স্বাধীনতা বিরোধীদের নামে পাওয়া প্রতিষ্ঠানের নাম বদল করতে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আবেদন চান মন্ত্রী।

সূত্র জানিয়েছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিও হওয়ার প্রমাণ মিললে এমপিও স্থগিত করা হবে। একই সঙ্গে আগামীতেও এসব প্রতিষ্ঠান যাতে এমপিওভুক্ত হতে না পারে এজন্য `ব্লক` করে দেওয়া হবে। আর যাচাই বাছাই করার জন্য এমপিওপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হার্ড কপি সংগ্রহ করা হবে।

তথ্য যাচাইবাছাই করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) জাবেদ আহমদের নেতৃত্বে একটি কমিটি হচ্ছে। কমিটিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) মহাপরিচালক, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মস্ত্রণালয়ের এমপিও শাখার সংশ্লিষ্টরা থাকবেন।

অন্য আরেকটি কমিটির প্রধান থাকবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান। সেখানে মাউশি অধিদপ্তরের ৯টি আঞ্চলিক উপ-পরিচালক, স্কুল-কলেজ পরিদর্শক এবং জেলা শিক্ষা অফিসাররা থাকবেন। প্রথম কমিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই, দ্বিতীয় কমিটি শিক্ষকদের তথ্য যাচাই-বাছাই করবেন।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.