এইমাত্র পাওয়া

চাকরি হলেই কোটিপতি!

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই চলছে সীমাহীন অনিয়ম আর দুর্নীতি। দায়িত্ব পেয়েই অনিয়ম-দুর্নীতি করে অনেকে হয়েছেন কোটি কোটি টাকার মালিক। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে নগর ভবনসহ পুরো পাঁচ অঞ্চলের সমন্বয়ে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। আর এর মাধ্যমে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে আইন বহির্ভূত পদায়নের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। শীর্ষকর্তা-ব্যক্তিদের পছন্দের কর্মকর্তাদের সুবিধা দিতে ডিএসসিসিতে অহরহ এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। লুটপাটের অভিযোগে কারো কারো বিরুদ্ধে আবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হয়েছে মামলা। এতে সংস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ডিএসসিসিতে চলমান এসব অনিয়ম-দুর্নীতির ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ প্রকাশিত হলো ৭ পর্ব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মো. জসিম উদ্দিন সমাজকল্যাণ বিভাগের কেয়ার টেকার হলেও রহস্যজনকভাবে তাকে উপ-কর কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়। সমাজকল্যাণ বিভাগের কেয়ার টেকারের পদটি একই বিভাগের সহকারী কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির জন্য ফিডারভুক্ত। কিন্তু অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে জসিম উদ্দিন সম-স্কেলে রাজস্ব বিভাগের উচ্চমান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক পদে বদলি হন। এরপরই উচ্চমান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক পদে নির্ধারিত অভিজ্ঞতা ৭ বছর দেখিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে তথ্য গোপন করে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে উপ-কর কর্মকর্তা (ডি.টি.ও) পদে পদোন্নতি নেন। অভিযোগ রয়েছে রাজস্ব বিভাগের শীর্ষ এক কর্মকর্তার সঙ্গে অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি এ পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। গুঞ্জন রয়েছে ২৫ লাখ টাকায় বিষয়টি রফাদফা হয়। এখন আবার কর কর্মকর্তা (টি.ও) হিসেবে পদোন্নতি নিতে পূর্বের পন্থায়ই তদবির শুরু করেন। এমনকি এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে ১০ লাখ টাকা পূর্বের সেই কর্মকর্তাকেই দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন চাকরি বিধি অনুযায়ী সমাজকল্যাণ বিভাগের কেয়ার টেকারের পদ থেকে কোনোভাবেই রাজস্ব বিভাগে আত্মীকরণের সুযোগ নেই। যার ফলে জসিম উদ্দিনের সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাজস্ব বিভাগে বদলি এবং তৎপরবর্তী পদোন্নতি সম্পূর্ণটাই বে-আইনি। ৯ম গ্রেডের কর্মচারী হয়ে মো. জসিম উদ্দিন ইতোমধ্যেই ঢাকার বাসাবো এলাকায় ছয় তলা বাড়ি করেছেন। নামে-বেনামে ব্যাংক ব্যালান্স ও সম্পদের মালিক হয়েছেন।

একটি সূত্র জানায়, বাজার শাখা-২ এর উপ-কর কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। তিনি ছিলেন সমাজকল্যাণ বিভাগের কেয়ারটেকার। জসিম উদ্দিনের একই পন্থায় তিনিও তথ্য গোপন করে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে উপ-কর কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি নেন। ৯ম গ্রেডের কর্মচারী হয়েও মো. আনিসুর রহমান ইতোমধ্যে রাজধানীর আগামাসী লেন সড়কে তার পাঁচ তলা বাড়িসহ নামে বেনামে বিপুল অঙ্কের টাকা ও ব্যাংক ব্যালান্সের মালিক হয়েছেন। বর্তমানে তিনি থাকেন বনানী সরকারি কোয়ার্টারে। কারণ যাদের বাড়ি আছে তারা আইনানুযায়ী কোনোভাবেই কোয়ার্টার বরাদ্দ পেতে পারেন না।

এদিকে রাজস্ব বাজার শাখা-২-এর আরেক উপ-কর কর্মকর্তা দেওয়ান আলীম আল রাজি চলতি দায়িত্বে এবং রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও অনেকের অভিযোগ যোগসাজশের মাধ্যমে অবৈধভাবে তিনি রাজস্ব কর্মকর্তার পদ দখল করেছেন। পাশাপাশি তিনি উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার কক্ষে অফিস করছেন। যা ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণের শামিল। এছাড়া রাজধানীর মিরপুরের সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় তার নিজের নামে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও সাভারে ১০ কাঠা জমি রয়েছে। অফিসে যাওয়া-আসা করেন নিজের কেনা নতুন টয়োটা এলিয়ন গাড়িতে চড়ে। ব্যাংকে জমা রয়েছে বিপুল অর্থ, নামে-বেনামে আরো অনেক সম্পত্তি আছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে শেখ কুদ্দুস আহমদ। ১৯৯০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি চাকরিতে যোগদান করেন। প্রথমে তিনি নগর পরিকল্পনা ও ডিজাইন বিভাগের কর্মকর্তা হলেও পরবর্তীতে তিনি রাজস্ব বিভাগে কর্মরত হয়েছেন। তিনি এতটাই আশীর্বাদপুষ্ট যে একাই তিনি উপ-কর কর্মকর্তা বিউটিফিকেশন ও বিলবোর্ড, কর কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) অঞ্চল-১ এবং মেয়রের একান্ত সচিব-২ এই তিনটি দায়িত্ব পালন করছেন। যদিও সিটি কর্পোরেশন অর্গানোগ্রামে একান্ত সচিব-২ পদটি নেই। তিনিও অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে রয়েছে নানা অভিযোগ।
উল্লিখিত এই চারজনই নন, কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগে এমন অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন, যারা চাকরি নিয়ে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়ায় ইতোমধ্যেই ডিএসসিসির অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ব্যাংক ব্যালেন্স ও অঢেল সম্পত্তি থাকার কথা অস্বীকার করে উপ-কর কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, বাসাবোর বাড়ি আমার শ্বশুর দিয়েছেন। আমি যে বেতন পাই তা দিয়ে এমন বাড়ি করব কিভাবে। আপনার শ্বশুর বাড়ি করার জমি দিলে ছয় তলা বাড়িটি করলেন কিভাবে এমন প্রশ্নের তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

ডি.টি.ও পদে পদোন্নতিতে ২৫ লাখ এবং আবার টি.ও পদে পদোন্নতি নিতে ইতোমধ্যেই আগাম বাবদ ১০ লাখ টাকা রাজস্ব বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়েছেন এমন প্রশ্নে জসিম উদ্দিন চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং কিছু অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। সমাজকল্যাণের কেয়ার টেকার ছিলেন স্বীকার করে অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনি, বে-আইনি বুঝি না, প্রশাসন না দিলে তো আমি নিজে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাজস্ব বিভাগে জোর করে আসতে পারি না।

জানা গেছে, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়ের বেশির ভাগ আসে রাজস্ব বিভাগের মাধ্যমে। এ বিভাগ কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায় ও আরোপ, নতুন হোল্ডিং নম্বর ইস্যু, নিজস্ব সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায়, ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন, রিকশা-ভ্যানের লাইসেন্স ইস্যু, মার্কেট বরাদ্দ ও দোকান থেকে রাজস্ব আদায়, প্রমোদ কর আদায় ও সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, রাজস্ব আদায়ের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চরম অনিয়ম আর দুর্নীতি করেন। বহুতল ভবনের আয়তন গোপন করে বর্গফুট কম দেখানো, প্রকৃত সময় উল্লেখ না করা, বরাদ্দহীন শত শত দোকান থেকে মাসোয়ারা নেয়া, এলাকাভিত্তিক বর্গফুট মূল্য গোপন করা এবং শতাধিক বহুতল বাণিজ্যিক ভবনকে আবাসিক হিসেবে দেখানো হয়। এভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শত শত কোটি টাকা নিজের পকেটে নিয়ে কর্পোরেশনকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। ফলে কয়েক বছর আগের স্বয়ংসম্পূর্ণ সিটি কর্পোরেশন এখন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে মো. আনিসুর রহমান বলেন, সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে আমাকে রাজস্ব বিভাগে আত্মীকরণ ও পরবর্তীতে পদোন্নতি নিতে আমি কোনো অবৈধ পন্থা অবলম্বন করিনি। প্রশাসন আমার যোগ্যতার বিবেচনায় আমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অপর প্রশ্নে তিনি বলেন, আগামাসী লেনের বাড়ি আমার বাবার নামে তাই সেটি আমার না। ফলে আমি সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে থাকি। আর এতে কোনো ধরনের বিধিভঙ্গ ঘটছে বলে মনে করি না।

এদিকে শেখ কুদ্দুস আহমেদ বলেন, ‘ডিএসসিসি’র সব কিছুই নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলছে। তার কাছে বেশ কয়েকটি বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আপনার কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে পারব না। আপনার কিছু জানতে হলে আপনি জনসংযোগ কর্মকর্তার কাছে যান।’

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধীনে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ হোল্ডিং রয়েছে। কিন্তু ডিএসসিসিতে দাফতরিকভাবে এক লাখ ৪৩ হাজার হোল্ডিং আছে। প্রায় ২৩ বছরের আগে নির্ধারণ করা হারেই এসব হোল্ডিংয়ের ওপর ট্যাক্স আদায় করা হয়। ওই ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছিল কর কর্মকর্তাদের সুপারিশেই। পরে তা অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিন ঘুরে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের কথা থাকলেও কর কর্মকর্তারা বাস্তবের তুলনায় অর্ধেক হারেও কর নির্ধারণ করেননি। এর মাধ্যমে মূলত শুরু থেকেই রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা কৌশলে একটি অনিয়মের সুযোগ করে রেখেছেন। আর এভাবেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নামকরা হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শপিংমল, বহুতলবিশিষ্ট বাণিজ্যিক ভবনের বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স কৌশলে ফাঁকি দিয়ে নিজেরা কোটিপতি হচ্ছেন। মাঝেমধ্যে এসব ঘটনা ধরা পড়লেও তেমন শাস্তি হচ্ছে বলে উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়নি।

ডিএসসিসি সূত্র জানায়, রাজধানীর মিরপুরের পূর্ব সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় রূপায়ন প্লেস, ফ্ল্যাট-ডি-১১, বাড়ি-৩৬৮ এই ঠিকানায় তার নিজের নামে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট এবং সাভারে ১০ কাঠা জমি রয়েছে। অফিসে যাওয়া-আসা করেন নিজের কেনা নতুন টয়োটা এলিয়ন গাড়িতে চড়ে। ব্যাংকে জমা রয়েছে বিপুল অর্থ, নামে-বেনামে আরো অনেক সম্পত্তি আছে। তিনি পাবনা জেলার সদর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের দেওয়ান শাহজাহান আলী ও রুবিয়া দেওয়ান দম্পতির সন্তান। মানবকণ্ঠের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে নিজের এসব সম্পদের কথা কিছুটা স্বীকার করেন দেওয়ান আলীম আল রাজি। তার দাবি, ফ্ল্যাট, গাড়িসহ সব কিছু বেতনের টাকায় করেছেন। এছাড়া তার অন্য কোনো সম্পদ নেই।

অপরদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসসিসির এক কর্মকর্তা জানান, বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, শেরে বাংলা মালেক শাহ হকার্স মার্কেট (মুরগিপট্টি), শ্যামবাজার কাঁচাবাজার থেকে যে কর আদায় করা হয় তা কর্তৃপক্ষ বরাবর জমা না দিয়ে করের ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছিল ২০১৫ সালে। একই বছরের ৩০ জুন টাকা জমা দেয়ার সময় পার হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দফতরে এ নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়। আর এই এলাকাটি ছিল আলীম আল রাজির আওতায়। এ কাজে আলীম আল রাজির সঙ্গে সহযোগী হিসেবে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে রেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (সংগ্রহকারী) আজমত উল্লাহ শরীফ জড়িত ছিলেন বলেও তখন কানাকানি হতে থাকে বলে জানা যায়।

তবে আলীম আল রাজি বলেন, ‘তৎকালীন সময় আমরা রাজস্ব যা সংগ্রহ করি তা সঙ্গে সঙ্গে জমা দিয়ে দেই। আর আমার বাড়ি-গাড়ি যা আছে সবই বেতনের টাকায় বৈধ উপায়ে করা হয়েছে।’ আপনার মাসিক বেতন যা পান তাতে এত সম্পদ কিভাবে করা সম্ভব? এ প্রশ্নের জবাবে আলীম আল রাজি বলেন, ‘আমি চাকরি করছি ২২ বছর ধরে। বেতন থেকে টাকা জমিয়ে এসব করেছি।’ বেতনের টাকা দিয়ে আদৌ সম্ভব কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অসম্ভবের কিছু নাই।’

সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন যে দুর্নীতির আখড়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যেখানে কর্পোরেশন ঋণগ্রস্ত, দুর্বল হয়ে পড়ছে সেখানে কর্মকর্মতা-কর্মচারীরা কোটিপতি হচ্ছে। তবে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা যদি অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে চায় তবে তা অসম্ভব হবে না। আমাদের সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের ব্যাপারে আমাদের আস্থা রয়েছে, তারা দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরবেন।সুত্র মানবকন্ঠ


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.