নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ব্যাংক থেকে মোংলা সরকারি কলেজের শিক্ষকদের বেতন উঠানোর সময় সাড়ে চার লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অডিট অফিসার নিখিল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মোংলা সরকারি কলেজের একাধিক শিক্ষক সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
জানা যায়, ২০১৭ সালে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা হিসাবরক্ষক বিভাগে নিখিল চন্দ্র রায় অডিট অফিসার হিসেবে যোগ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে নিখিল চন্দ্র রায় জানান, তিনি এ ব্যাপারে কোনো টাকাই নেননি।
এরপর মোবাইল ফোনে শিক্ষকদের নিখিল চন্দ্র অনুরোধ করেন যেন ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের আর না জানান।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরা অভিযোগ করে জানান, মোংলা কলেজ এমপিওভুক্ত থাকাকালীন শিক্ষকরা বেতন তুলতেন রুপালী ব্যাংক থেকে। এজন্য কাউকে ঘুষ দেওয়া লাগত না। পরে কলেজটি যখন সরকারি করা হয় তখন তাদের বেতন আসে সোনালী ব্যাংকে। আর শিক্ষকদের এ বেতন তুলতেই বাধা হয়ে দাঁড়ান উপজেলা হিসাবরক্ষণ বিভাগের অডিট অফিসার নিখিল চন্দ্র রায়। মাস শেষে শিক্ষকরা বেতন তুলতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে নিয়ে যেতেন তার কাছে। কারণ তার একটি স্বাক্ষর (সই) না হলে সরকারি বেতন উঠানো যাবে না। তাই স্বাক্ষর নিতে নিরুপায় হয়ে প্রত্যেক শিক্ষক তাকে ২০ থেকে ২৫ হাজার পর্যন্ত টাকা ঘুষ দেন। এ বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম বেতন তুলতে নিখিল চন্দ্র রায়কে ঘুষের এ টাকা দেওয়া হয় বলেও জানান শিক্ষকরা।
উপজেলা হিসাররক্ষণ কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণ দিলে নিখিল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।সুত্র বিডি জার্নাল
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
