নিউজ ডেস্ক।।
বাংলাদেশ থেকে কুরিয়ারে পাঠানো দুটি পাসপোর্টই কাল হলো মালয়েশিয়ার পিয়েতায় বসবাসকারী বাংলাদেশি শুভ সরকার (৩৯)-এর জন্য। তার ঠিকানায় ওই দুটি পাসপোর্ট পাঠানো হয়েছে। কুরিয়ারে ঠিকানায় লেখা রয়েছে তার নাম। ওয়ার্কভিসার জন্য আবেদন করার জন্য এই পাসপোর্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার জন্য। এই পাসপোর্ট তাকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের হাতে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মাঝখানে বাগড়া দেয় পুলিশ। বিষয়টি তারা টের পেয়ে অভিযোগ গঠন করেছে শুভর বিরুদ্ধে। তাকে ইন্সপেক্টর ফ্রাঙ্কি সাম্মুত মঙ্গলবার ম্যাজিস্ট্রেট মোনিকা ভেলা’র সামনে হাজির করেন। অভিযোগ করেছেন তার কাছে একটি পাসপোর্ট পাওয়া গেছে, যার মালিক তিনি নন। ইন্সপেক্টর আরও বলেছেন, পিয়েতায় বসবাসকারী অনিয়মিত অভিবাসীদের বিষয়ে খোঁজখবর নেয়ার সময় পুলিশ ডাকা হয়।
তারাই শুভকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তুলেছে। ওই অভিযানে বেশ কয়েকজন অভিবাসীর ডকুমেন্ট চেক করা হয়েছে। তাতে কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি। এ সময় একজনকে কিছুটা উদ্ভট আচরণ করতে দেখে পুলিশ।
নিজের বেডরুমে একটি ক্যাবিনেট বন্ধ করতে দেখা যায় তাকে। পুলিশের নজরে আসায় তা তল্লাশি করে তারা। এর ভেতরে ঢাকা থেকে যাওয়া একটি ব্যাগ পায় তারা। এতে অভিযুক্ত শুভ’র ঠিকানা লেখা রয়েছে। ওই ব্যাগ খুলে তার ভেতর পাওয়া যায় বাংলাদেশি দুটি পাসপোর্ট। এর মধ্যে এমন ব্যক্তির পাসপোর্ট আছে, যিনি বাংলাদেশে বসবাস করছেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শুভ বলেছেন, এই পাসপোর্ট তার বসের হাতে দেয়ার কথা ছিল, যাতে তিনি তার জন্য ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। ইন্সপেক্টর তার কাছে অন্য ব্যক্তির পাসপোর্ট দেখতে পান, যা বেআইনি। এরপর শুভর আইনজীবী রবার্ট গ্যালিয়া নিশ্চিত করেছেন যে, তার মক্কেল আদালতে দোষ স্বীকার করতে চেয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে যে অবস্থায় আছে তাতে শুভর সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
