হাবিবুর রহমান নাসির ছাতক প্রতিনিধিঃ
সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা।, ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম কবির, বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তার দক্ষতা যাচাইয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রধান কাজ হলো উপজেলায় অবস্থিত সকল বিভাগের কাজকর্মে সমন্বয় সাধন।মাদকমুক্ত, যৌতুক-বাল্যবিবাহ রোধ ও জঙ্গিমুক্ত সামাজিক ব্যবস্থার গুরুত্বপুর্ণ কাজের ভার তাদের উপর। একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার একটি উপজেলার সকল দায়িত্ব তদারকি করে থাকেন। পাশাপাশি জেলার সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সাধারণ প্রশাসন, রাজস্ব প্রশাসন, ফৌজদারি প্রশাসন ও উন্নয়ন প্রশাসন বিষয়ে দায়িত্ব পালনের ভার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ।
অন্যান্য দায়িত্ব হলো আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড- তদারকি করা, সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন, সরকারের উন্নয়নম‚লক কাজ তদারকি ও বাস্তবায়ন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ পরিদর্শন ও প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা, সরকারের নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে জানানো, সামাজিক সমস্যা দ‚রীকরণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা এবং যৌতুক- বাল্যবিবাহ রোধে ছাতক উপজেলা অফিসার মোঃ গোলাম কবির সফল ভাবে কাজ করে যাচ্ছে ।এছাড়াও তিনি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও ঝরেপড়া রোধকল্পে বিদ্যালয় পরিদর্শন, অভিভাবক সমাবেশ, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, মিড ডে মিল চালু, পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করণ, শ্রেণিকক্ষ এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখাসহ বিদ্যালয়কে আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে ফুলবাগান করা, শ্রেণিকক্ষে ঝুড়ি স্থাপন, পরিচ্ছন্ন দল গঠন, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বেঞ্চ সরবরাহসহ নানাবিধ প্রশংসনীয় ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি
শিক্ষকরা আগের তুলনায় শ্রেণি কার্যক্রমে বেশি সময় দিতে পারছেন।এতে প্রাথমিক শিক্ষার দ্রুত মানোন্নয়ন ঘটছে। বিদ্যালয়গুলোকে আকর্ষণীয় ও শিশুবান্ধব করতে দোলনা ও ভারসাম্য স্থাাপন, বৃক্ষ ও ফুলের গাছ রোপণ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দৈনন্দিন সেবা সহজীকরণে ‘অনলাইন সেবা ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন’ জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেটভিত্তিক ‘জানতে চাই কর্নার’ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের জন্য ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ডে’ অন্যতম। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলো সরাসরি দেখে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। একটি দেশ মূলত এগিয়ে চলে তার শিক্ষা ব্যবস্থাার উপর ভিত্তি করে।
যে দেশ যত শিক্ষিত সেই দেশ তত উন্নত বিশ্বের কাতারে এগিয়ে থাকা দেশগুলোতে শিক্ষিতের হার শতভাগ। সে কারণে বাংলাদেশও পরিকল্পনা করেছে আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে শিক্ষিতের হার শতভাগ করার জন্য। দেশের অর্থনীতির চাকা মজবুত করতে শিক্ষার বিকল্প নেই। মোঃ গোলাম কবির যেমন দেশের একটি উপজেলায় উদাহরণ তৈরি করেছেন এমনি করে দেশের সব উপজেলায় শিক্ষার মানোন্নয়নে সব উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা অফিসার, শিক্ষকরা এগিয়ে এলে নিশ্চয় এই দেশে শিক্ষার হার শতভাগ হতে দেরি হবে না। এই সফল মানুষটি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। কখনো তিনি এক ঝাঁক শিশুর মাঝে। কখনো আবার রোগে আক্রান্ত জনের পাশে। কখনো আবার একজন অসহায়দের সহযোগিতা কামনা। এভাবেই উপজেলাবাসীর সুখে দুঃখে সবার আগে হাজির হওয়ার চেষ্টা তার। এসব কারণে ইতোমধ্যে সবার কাছে তিনি নিবেদিত প্রাণ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেন ।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
