নিউজ ডেস্ক।।
করোনাকালীন দীর্ঘ দুই বছর স্কুল বন্ধ ছিল। এরপর স্কুল খুললেও স্বল্প পরিসরে ক্লাস হয়েছে। পুরোদমে ক্লাস শুরুর পরপর আবার করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেল। এরপর রমজান সহ দুই ঈদের ছুটি। সব মিলিয়ে করোনা ও ছুটির ধাক্কায় শিক্ষার্থীরা বিপর্যস্ত।
রাতারাতি শিখন ঘাটতি পূরণ হবে না অনেকে মন্তব্য করেন। শিক্ষকরা বলছেন যদি ডিভাইস থেকে দূরে রেখে তাদের পড়াশোনার দিকে ধীরে ধীরে ধাবিত করাতে পারি, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো ব্রেক ছাড়া ধারাবাহিকভাবে ক্লাস চালু রাখা যায়, তাহলে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।
তারা বলছেন, করোনার মধ্যে দুটো শ্রেণি টপকে আসা শিক্ষার্থীরা তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। সব শিক্ষার্থীর মেধা সমান নয়। একবার বুঝালেই অনেক শিক্ষার্থী বুঝে যায়, কাউকে কয়েকবার বুঝালে বুঝে। কেউ আবার বারবার বুঝানোর পরও বুঝে না। সেজন্য তাদের মানসিক চাপে না রেখে ধীরে ধীরে পড়াশোনার রাস্তায় নিয়ে আসতে হবে।
দীর্ঘদিন পড়াশোনার বাইরে থাকা, ক্লাস পুরোদমে শুরুর পর আবার ফেব্রুয়ারিতে ব্রেক। এরপর দুই ঈদের ছুটি। ঈদুল আজহার পর সরকার নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১০০ নম্বরের পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল। অথচ, অষ্টম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী করোনার কারণে পঞ্চম শ্রেণির পরে আর সেভাবে বই পড়তে পারেনি। তাদের মধ্যে বিশাল শিখন ঘাটতি রয়ে গেছে। ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নিতে হয়েছে, সে কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রভাব পড়েছে।রাতারাতি শিখন ঘাটতি পূরণ হবে না। আমরা যদি ডিভাইস থেকে দূরে রেখে তাদের পড়াশোনার দিকে ধীরে ধীরে ধাবিত করাতে পারি, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো ব্রেক ছাড়া ধারাবাহিকভাবে ক্লাস চালু রাখা যায়, তাহলে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ সম্ভব। আমাদের প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে শিখন ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে। ক্লাসের নির্ধারিত সময়ে পড়া শেষ করতে না পারলে ছুটির পরে তাদের সেই পড়া আদায় করছি, কোনো ধরনের মানসিক চাপ প্রয়োগ না করেই।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
