বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছি। আমরা দেখছি কারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত। এটি যে হত্যাকাণ্ড, এতে সন্দেহ নেই।
তিনি বলেন, কয়েকটি সিটি সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। বিচার বিশ্লেষণ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাজনৈতিক পরিচয় যাই থাকুক, যে জড়িত থাকবে তাকেই তার বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে সিসিটিভির যে ফুটেজ থেকে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার কথা বলছে পুলিশ, বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা সেই ফুটেজ প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন।
কিন্তু এই ফুটেজ প্রকাশ করা হলে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে শঙ্কা প্রকাশ করে এর জন্য সময় চাওয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। বুয়েটের ছাত্র প্রতিনিধিরা পুলিশের সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।
এঘটনায় বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল এবং সহ সভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদসহ ৯ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আবরার ফাহাদকে হত্যার বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। তাকে শের-ই বাংলা হলের ২০১১ নং রুমে হত্যা করা হয়। রুমটি থেকে হত্যার বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। আবরার ফাহাদ শের-ই বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুমে থাকতেন।
জানা যায়, রোববার রাত আটটার দিকে একদল ছাত্র আবরারকে তার রুম থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাত দুইটার দিকে শেরে বাংলা হলের প্রথমতলা ও দ্বিতীয়তলার মাঝামাঝি জায়গায় ফাহাদের মরদেহ দেখতে পায় অন্য শিক্ষার্থীরা। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষার্থীদের ধারণা ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
