মো. শরীফ উদ্দিন।।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব হচ্ছে দুর্গাপূজা। মুসলিমদের যেমন ঈদে কেনাকাটা করতে তেমনি এই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কেনাকাটার দরকার পড়ে। ছেলেমেয়েদের পোশাকপরিচ্ছদ ক্রয়সহ পূজো পালনে অনেক খরচ বহন করতে হয়। যারা MPO ভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন তাদের একমাত্র অবলম্বন হলো সরকারের নির্ধারিত MPO অংশ। তাহলে এই বৃহৎ ধর্মানুষ্ঠানের আগে তাদের সেলারি না হওয়ার কারণ কী? তারা কি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার অধিকার রাখেনা?
এখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সদিচ্ছার অভাব এবং কাজে অদক্ষতাই মনে করি। না-হয় পুজোর পরে মাসের সেলারি, ঈদের পরে ঈদ বোনাস, ১লা বৈশাখের পরে বৈশাখী ভাতা দেওয়ার কারণ কী? দক্ষতার অভাব না থাকলে ধর্মানুষ্ঠান যে যে মাসে আসবে এর হিসেব তাদের মাথায় থাকার দরকার ছিল। তাছাড়া প্রত্যেক মাসের বেতন ১০ তারিখের পরে না দিয়ে কাজটা আগে শেষ করে ৫ তারিখের আগে দিলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়? কাজে আন্তরিকতা থাকলে কোনো কিছুই অসম্ভব না।
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে কাজে আন্তরিক হোন তাহলেই দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবেন। মনে রাখবেন এখন সবাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরদারিতে রয়েছে। কর্মে ফাঁকি দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সোনার বাংলা গঠনে অন্তরায় সৃষ্টি করবেন না। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গঠনে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে যার যার জায়গা থেকে সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
