নিজস্ব প্রতিবেদক।।
১. ২৯ রমজান ঈদের চাঁদ উঠেছে কি-না, তা দেখা।
২. এ দিন চাঁদ না উঠলে ৩০ রমজানও চাঁদ দেখা, যদিও এ দিন চাঁদ দেখা না গেলেও পরদিন ১ শাওয়াল তথা ঈদুল ফিতর হবে।
৩. ঈদের চাঁদ তথা নতুন চাঁদ দেখে দোয়া পড়া।
৪. ঈদের রাত হলো ইবাদতের বিশেষ রাতগুলোর অন্যতম। তাই ঈদের রাতে বেশি বেশি নফল ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকা।
৫. শারীরিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা।
৬. হাত-পায়ের নখ কাটা ও গোঁফ ছোট করা।
৭. সকালে গোসল করা।
৮. সকালে মিষ্টান্ন গ্রহণ করা।
৯. নতুন পোশাক বা সাধ্য ও সামর্থ অনুযায়ী সুন্দর ও উত্তম ইসলামি লেবাস পোশাক পরিধান করা।
১০. সদকাতুল ফিতর আদায় করা (আগে আদায় করলেও হবে)।
১১. পুরুষগণ ও ছেলেরা ঈদের মাঠে যাওয়া ও ঈদের জামাতে শামিল হওয়া।
১২. ঈদের খুতবা শোনা।
১৩. সম্ভব হলে ঈদগাহে এক পথে যাওয়া ও অন্য পথে ফেরা।
১৪. ঈদের মাঠে যাওয়া-আসার পথে আস্তে আস্তে তাকবির বলা।
১৫. স্থানীয় কবর ও আত্মীয়-স্বজনদের কবর জেয়ারত করা।
১৬. একে অন্যকে আপ্যায়ন করানো।
১৭. ঈদ মোবারক বলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা।
১৮. অসহায় ও প্রতিবেশীর খোঁজখবর নেওয়া।
১৯. জাকাত, ফেতরা বা নফল সদকার মাধ্যমে অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো।
২০. সর্বোপরি সব কাজে ও কথায় ইসলামি রীতির পূর্ণ খেয়াল রাখা।
(আল ফিকহুল ইসলামি)।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
