অনলাইন ডেস্ক।।
ইলন মাস্ক পরিচালিত স্পেসএক্স-এর এই রকেট গত সাত বছর ধরে মহাশূন্যে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ঘুরছিল।
কিন্তু স্যাটেলাইটটিকে তার কক্ষপথে পাঠানোর পর এর ইঞ্জিনে গোলযোগ দেখা দেয়। ইঞ্জিন ধীরে ধীরে পুড়ে গিয়ে রকেটটির একাংশ পরিত্যক্ত হয়ে যায়।
যথেষ্ট উচ্চতায় চলে যাওয়ায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসার মতো সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে রকেটটি। এটি এমন এক জায়গায় গিয়ে ঠেকে যেখানে পৃথিবী ও চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ বল আবার বিদ্যমান রয়েছে। সুতরাং ২০১৫’র ফেব্রুয়ারি থেকে রকেটটি একটা বিশৃঙ্খল কক্ষপথ ধরে পৃথিবী ও চাঁদের আশেপাশে ঘুরতে থাকে।
মহাকাশ পর্যবেক্ষকরা বলছেন, প্রায় চার মেট্রিক টনের এই রকেট আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেকেন্ডে ২ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার গতিতে চাঁদের গায়ে আছড়ে পড়বে।
সফটওয়্যার দিয়ে পৃথিবীর আশেপাশের বস্তু, গ্রহাণু, ক্ষুদ্র গ্রহ এবং ধূমকেতুর গতিবিধি নির্ণয় করা বিল গ্রে জানান, ফ্যালকন নাইন আগামী ৪ঠা মার্চ চাঁদের নিরক্ষরেখার কাছাকাছি একটি অঞ্চলে গিয়ে আঘাত হানবে।
‘চাঁদের গায়ে এমন স্পেস জাংক আছড়ে পড়ার নজির আর আছে বলে জানা নেই আমার,’ বলেন গ্রে। সংঘর্ষটি পৃথিবী থেকে দেখা যেতে পারে কি না, এ ব্যাপারে গ্রে বলেন, এই সম্ভাবনা খুবই কম।
তিনি বলেন, পৃথিবী থেকে চাঁদের যে অংশ দেখা যাচ্ছে তার অপর পাশে ঘটনাটি ঘটবে। আর এপাশে ঘটলেও আমরা দেখতে পেতাম কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ অমাবস্যার কয়েক দিন পরই ঘটনাটি ঘটবে। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান।
The Post Viewed By: 29 People
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
