১) পাবলিক পরীক্ষার জন্য আলাদা কেন্দ্র স্থাপনঃ
মাদারীপুর, ঢাকা, খুলনা, নড়াইল ও নেয়াখালী জেলা প্রশাসকরা পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনে উপজেলা সদরে আলাদা ভবন নির্মাণ করার প্রস্তাব করেছেন। তার কারনে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন্দ্র স্থাপন করায় সেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ক্লাস বন্ধ থাকে। পরীক্ষার কারণে বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বিঘ্নিত হয়। আলাদাভাবে পরীক্ষাকেন্দ্র নির্মাণ করা হলে ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত ক্লাস করতে পারবে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ভবনটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
২) কারিগরি শিক্ষার প্রসারঃ
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক কারিগরি শিক্ষার প্রসার বৃদ্ধির প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। দেশের মানুষকে দক্ষ ও জনশক্তিতে রূপান্তর করে গড়ে তোলার জন্য তিনি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কারিগরি বিভিন্ন কোর্স অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেন।
৩)বিভাগীয় শহরে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডঃ
দেশের সব বিভাগীয় শহরে পূর্ণঙ্গ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন কুড়িগ্রাম জোলা প্রশাসক। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি করে কারিগরি কলেজ স্থাপনের কার্যক্রম চলমান। এত বিপুল সংখ্যক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য একাধিক কারিগরি শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। দেশের বিশাল জনশক্তিকে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য একাধিক কারিগরি শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব জানান তিনি।
৪) অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগে পুল গঠনঃ
৫) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতায় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেনঃ
৬) উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কমিটি গঠনঃ
উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা কমিটির নামে একটি কমিটি রয়েছে, যা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কমিটি না থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সমন্বয় বা তদাররি করা যাচ্ছে না। মাধ্যমিক শিক্ষা কমিটি না থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানে উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।
৭) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করাঃ
৮) ভূমি সংক্রান্ত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তকরণঃ
৯) টেক্সটাইল কলেজ স্থাপনঃ
মৌলভীবার জেলা প্রবাসী আধ্যুষিত এলাকা। টেক্সটাইল কলেজ স্থাপন করা হলে এখানে এ শিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি হবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করতে পারবে। মৌলভীবাজার জেলায় উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে এবং উদ্যোক্তা তৈরি হবে। টেক্সটাইল কলেজ স্থাপনের এ দাবি এলাকাবাসীর বলে উল্লেখ করেছেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক।
১০) সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাঃ
১১) স্কুল ভর্তিতে বয়স সংশোধনঃ
শিক্ষানীতি ও শিক্ষাবোর্ডের ভর্তি পরীক্ষা নীতিমালায় শিক্ষার্থীদের বয়স সংক্রান্ত সাংঘর্ষিক বিধান সংশোধন করে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক। তিনি জানান, শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হতে বয়স ৬+ বছর প্রয়োজন হয়। সে হিসাবে এসএসসি পরীক্ষা দিতে বষয় ১৬+ বছর হতে হয়। কিন্ত শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেক ১৪+ বছর বয়স হলেই এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া যায়। স্কুল পরিবর্তন করে দেশের নামিদামি সরকারি-বেসরকারি স্কুলে তৃতীয় বা তদূর্ধ্ব শ্রেণিতে ভর্তির সময় জন্মসনদ সংশোধন করে বয়স কমানের প্রবণতার অবসান হবে।
১২) ভূমি সংক্রান্ত বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তকরণঃ
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে ময়মনসিংহ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিচালনা কমিটিতে জেলা প্রশাসককে অন্তর্ভুক্তকরণ, রাজবাড়ী জেলায় মীর মশাররফ হোসেনের সমাধিস্থলের পাশে তার নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করেছেন জেলা প্রশাসকরা।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
