এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে প্রজ্ঞাপনে যে নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

দেশে আবারও বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এর সঙ্গে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন। এবার করোনা রোধে ১১টি বিধি-নিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এই প্রজ্ঞাপনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়েও দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা।

আজ সোমবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিধি-নিষেধ জারি করে। যা আগামী ১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনসাধারণকে অবশ্যই বাড়ি বাইরে গেলে মাস্ক পরিধান করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ ও আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই টিকা সনদ দেখাতে হবে। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১১ দফা নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। সেখানে বলা হয়েছে, ১২ বছরের ঊর্ধ্বের সকল ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে টিকা নিতে হবে। নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

এর আগে আজ দুপুরে শিক্ষার্থীদের করোনা টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিবন্ধন লাগবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ড দিয়ে সহজেই টিকা নিতে পারবে বলে জানান তিনি।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমিত পরিসরে কার্যক্রম যেভাবে চলছিল, সেভাবে চলবে। পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করতে চলতি মাসের মধ্যেই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী সব স্কুলশিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, কেবিনেটের একটি সিদ্ধান্ত আছে, ১৩ তারিখের পর টিকা ছাড়া কেউ স্কুলে যেতে পারবে না। ১২ জানুয়ারির মধ্যে যারা এক ডোজ টিকা দিয়েছে তারা ক্লাসে আসবে, বাকিরা অনলাইনে ক্লাস করবে আর অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে। সবার অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়া হলে তার পর থেকে তারা সশরীরে ক্লাস করতে পারবে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ১২ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সে কারণে তাদের ক্লাস যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে। তা ছাড়া ক্যান্সার বা জটিল রোগের ইতিহাস আছে এমন শিক্ষার্থীদের স্কুলে না এসে অনলাইনে ক্লাসের ওপর জোর দেওয়া হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.