বছরের শুরুতেই আসছে শৈত্যপ্রবাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি।।

শীতকাল আসার দেড় মাস কেটে গেছে। দেশের কয়েক স্থানে শৈত্যপ্রবাহ ছাড়াও বেশিরভাগ স্থানে এখনো পুরোপুরি শীত পড়েনি। তবে নতুন বছরের শুরু থেকে জেঁকে বসবে শীত।
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, দেশের কয়েকটি স্থানে বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আজ শনিবার থেকে দেশের আরো কয়েকটি এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি এলাকার অধিবাসীরা মাত্র একবার শৈত্যপ্রবাহের পরশ পেয়েছেন। তবে ঢাকা, চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে দিনে তো দূরে থাক, রাত বা ভোরের তাপমাত্রাও শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি পর্যায়েও নামেনি। অর্থাৎ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ছিল।

আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস বলছে, শীতের বাতাস আসার পথে প্রধান বাধা ছিল ভূমধ্যসাগর থেকে আসা মেঘ আর জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ বাতাস। শুক্রবার থেকে তা সরে গেছে। ফলে তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করেছে।

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বরে বঙ্গোপসাগর ও ভূমধ্যসাগরে একাধিক নিম্নচাপের কারণে প্রচুর মেঘ এসেছিল। ফলে শীতের বাতাস ঠিকমতো সারা দেশে ছড়াতে পারেনি। যে কারণে ডিসেম্বরে স্বাভাবিকের চেয়ে এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশি ছিল। জানুয়ারি এমনিতেই আমাদের সবচেয়ে শীতল মাস। আর মেঘ সরে যাওয়ায় শীত বেড়ে যাওয়ার সব শর্ত পূরণ হচ্ছে। ফলে নতুন বছরের প্রথম মাসেই শীত বাড়বে।

সাধারণত দেশে জানুয়ারি মাসে তিন থেকে চারটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। মূলত দেশের উত্তরাঞ্চল, যশোর-চুয়াডাঙ্গা, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী বিভাগে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়।

এ মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা থাকে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা থাকে শ্রীমঙ্গলে সাড়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় মাসজুড়ে শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি থাকে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.