নিউজ ডেস্ক।।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হলে অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে থাকতে না দেয়া ও বিবাহিতদের শর্ত সাপেক্ষে থাকার বিধানটি বাতিল চান ছাত্রীরা। আজ মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) পাঁচটি ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা ভিসি বরাবর বিধানটির বাতিলসহ চার দফা দাবি জানান। তবে ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেছেন, এখনই বিধানটি বাতিল করা সম্ভব নয়। হল কর্তৃপক্ষ ও ডিনস কমিটির সভায় আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত এ নিয়মটিই বলবৎ থাকবে।
ছাত্রী হলে আসন বণ্টন সম্পর্কিত নীতিমালার ওই ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো ছাত্রী বিবাহিত হলে অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। অন্যথায় নিয়মভঙ্গের কারণে তার সিট বাতিল হবে। শুধু বিশেষ ক্ষেত্রে বিবাহিত ছাত্রীকে চলতি সেশনে হলে থেকে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়া হবে। অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী হলে থাকতে পারবেন না।’
সম্প্রতি শামসুন নাহার হল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের বিবাহিত হওয়ায় দুই ছাত্রীর সিট নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে ছাত্রীরা।
ছাত্রীদের চার দফা দাবির বাকীগুলো হল- শিক্ষার্থীদের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের মর্যাদা রক্ষার্থে সকল ছাত্রী হলে লোকাল গার্ডিয়ান বা স্থানীয় অভিভাবকের পরিবর্তে ইমার্জেন্সি কন্টাক্ট বা জরুরি যোগাযোগ শব্দটি রাখতে হবে; আবাসিক শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দ্বারা যেকোনও ধরনের হয়রানি এবং অসহযোগিতামূলক আচরণ বন্ধ করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকা সাপেক্ষে অনাবাসিক ছাত্রীদের হলে প্রবেশের অধিকার পুনর্বহাল করতে হবে এবং জরুরি প্রয়োজনে তাদেরকে হলে অবস্থান করতে দিতে হবে।
এ বিষয়ে শামছুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি তাসনিম আফরোজ ইমি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, পাঁচটি ছাত্রী হলের প্রতিনিধিরা চার দফা দাবি নিয়ে ভিসির কাছে গিয়েছিলাম। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, দাবিগুলো নিয়ে হল প্রশাসন ও ডিনস কমিটিতে আলোচনা করবেন।
এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইমি দাবি জানাতে গিয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের দুর্ব্যবহারের শিখার হওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
