এইমাত্র পাওয়া

জাতীয়করণকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের/আত্নীকরণের নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

নিউজ ডেস্ক।।
জাতীয়করণকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী আত্নীকরণ বিধিমালা ১৯৮৩ সালের নীতিমালা বাতিলপূর্বক কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা, ২০১৮ এর ন্যায় নতুন নীতিমালা/বিধিমালা প্রণয়নে বিবাদীদের নিস্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবে না একই সাথে উক্ত বিষয়ে নীতিমালা/বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

দেশের বিভিন্ন এলাকার জাতীয়করণকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৮ জন শিক্ষকের দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রবিবার (৩১ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও সহ সংশ্লিষ্ট ৯ জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে এদিন রিটকারীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ্যাডভোকেট বিপুল বাগমার।

রিটকারীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ সপ্তম সংশোধনীকে অবৈধ ও অসংবিধানিক ঘোষনা করেছেন এবং ২০১৩ সালে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পযর্ন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কাযর্কর করিবার লক্ষ্যে একটি আইন প্রণনয় করা হয়। কিন্তু অদ্যবধি জাতীয়করণকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের জন্য কোন বিধি প্রণয়ন করা হয়নি।

পূর্বের জাতীয়করণকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ১৯৮৩ দিয়ে এখনও নিয়োগ কাযর্ক্রম করছে এর ফলে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীগণ তাদের চাকরির বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্চে। যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ সপ্তম সংশোধনীকে অবৈধ ও অসংবিধানিক ঘোষনা করেছেন। এবং ২০১৩ সালে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর তারিখ পযর্ন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কাযর্কর করিবার লক্ষ্যে একটি আইন প্রণনয় করা হয় । জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষকদের জন্য আত্নীকরণ বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও জাতীয়করণকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী আত্নীকরণের কোন বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি তাই আবেদনকারীগন উক্ত রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।

রিটকারীগণ হলেন (১) মোঃ আজিম উদ্দিন, (২) পরিমল চন্দ্র সরকার, (৩) মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, (৪) মোঃ শাহনওয়াজ, (৫) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, (৬) শাহজাহান খাঁন, (৭) মোঃ মামুনুর রশিদ চৌধুরী, (৮) মোহাম্মদ মনজুরুল হাসান, (৯) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এবং (১০) মোহাম্মদ সিরাজুল হক সহ ১৮ জন শিক্ষক।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.