অনলাইন ডেস্ক।।
পুঁইশাক, কচু, বেগুন, ঢ্যাঁড়শ, দই এবং ফ্রিজে রাখা বাসি ও ঠান্ডা খাবার এখন এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে এক গ্লাস গরম পানি খেয়ে দিন শুরু করতে পারেন। কাশি সমস্যা থাকলে কয়েকটি তুলসি পাতা ও বাসক পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে এর সাথে মধু মিশিয়ে খেলে কাশির দমক কমবে। ফুসফুসও ক্রমশ শক্তিশালী হতে থাকবে।
জাঙ্ক ফুড যেমন পিৎজা, বার্গার, রোলের মতো বাইরের খাবার বন্ধ রাখতে হবে। পাউরুটি খাওয়াও বন্ধ রাখতে পারলে ভালো। এ সবের পরিবর্তে বাড়ির সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে। কোভিডের পরে কিছু দিন মরিচের ঝাল খাওয়া উচিৎ নয়। এর পরিবর্তে আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গের ঝাল হিসেবে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
ভাইরাসের সংক্রমণে প্রোটিন বেশি খাওয়া দরকার। তবে মশলাদার করে রান্না না করে গাজর, পেঁপে, গোলমরিচ দিয়ে রান্না করা মুরগির ঝোল, ডিম সেদ্ধ, মাছের হাল্কা ঝোল খাওয়া যায়। অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ৩-৪ গ্লাস গরম জল খাওয়া দরকার। ডায়াবেটিস বা ক্রনিক কিডনির অসুখ না থাকলে গরম জলে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
মেথি ভেজানো পানি, আমলকি, হরতকি ও বহেড়া একসঙ্গে কাচের গ্লাসে উষ্ণ পানির মধ্যে প্রতি রাতে ভিজিয়ে রেখে, সকালে ছেঁকে নিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। সঙ্গে হজমের গোলমাল এবং গ্যাসের প্রকোপ কমবে। গরম দুধে দুই চামচ হলুদ মিশিয়ে খেতে হবে নিয়ম করে। সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট কমাতে মধু দিয়ে পিপুল খেলে উপকার হয়।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
