নিউজ ডেস্ক।।
সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ চলাকালীন ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সীমিত পরিসরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাইকোর্টের তিনটি বেঞ্চে বিচারকাজ পরিচালিত হবে। এগুলোতে নেতৃত্ব দেবেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের।
শনিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন পৃথক এই তিনটি একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন। যেখানে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম অতীব জরুরি সকল প্রকার রিট মোশন, দেওয়ানি মোশন ও তৎসংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ করবেন। আর বিচারপতি জেবিএম হাসান শুনবেন অতীব জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারি মোশন ও তৎসংক্রান্ত আবেদনপত্র।
এছাড়া বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের শুনবেন আদিম অধিক্ষেত্র অতীব জরুরি বিষয়, সাকসেশন আইন-১৯২৫ অনুযায়ী ইচ্ছাপত্র ও ইচ্ছাপত্র ব্যতিরেকে মৃত ব্যক্তির বিষয়বস্তুর অধিক্ষেত্রসহ তৎসংক্রান্ত বিষয়সমূহ।
তিনজন বিচারপতি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে অতি জরুরি বিষয়ে শুনানি করবেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেবেন।
সীমিত পরিসরে চলবে অধস্তন আদালত
সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ফুল কোর্ট সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালীন আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক জেলা ও দায়রা জজ দেওয়ানি ও ফৌজদারি এবং মহানগর দায়রা জজ ফৌজদারি জরুরি দরখাস্তগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন। আর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন। আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশুকে ওই সময়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে উপস্থাপন করা যাবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
