অনলাইন ডেস্ক।।
আগামী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হম মোস্তফা কামাল শিক্ষা খাতে বেশকিছু প্রকল্প ও উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, দারিদ্র্যপ্রবণ ১০৪ উপজেলায় ২০২৬ সাল পর্যন্ত পুষ্টিমান সম্পন্ন বিস্কুট দিতে স্কুল ফিডিং প্রকল্প চালু হবে জুলাই থেকে। প্রাইমারির উপবৃত্তি একশ’ টাকা থেকে বাড়িয়ে দেড়শ’ করা হবে। উচ্চ শিক্ষিত গ্রাজুয়েটদের জন্য ইন্টার্নশিপ কার্যক্রমের একটি ‘পলিসি ফ্রেওয়ার্ক’ প্রণয়ন করা হবে এ বছরই।
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় প্রাথমিক শিক্ষা খাতে আগামী অর্থবছরের পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, স্কুল মিল পলিসি-২০১৯’র আলোকে স্কুল মিল প্রকল্প, ৬৪ জেলায় মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প, সাপোর্ট টু কোয়ালিটি অ্যানহেন্সমেন্ট ইন প্রাইমারি এডুকেশন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
কোভিড-১৯ স্কুল সেক্টর রেস্পন্স প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ৫০৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আইসিটি ল্যাব স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের জন্য উপবৃত্তি বরাদ্দ আগামী অর্থবছর থেকে রাজস্ব খাতে নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের নতুন জুতা, স্কুল ব্যাগ ও ড্রেসের জন্য ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ওই দুটি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে।
মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা খাতের ব্যাপারে বাজেটে অর্থমন্ত্রী টেকসই মানসম্পন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার প্রসারে চলমান প্রকল্পগুলো অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা অব্যাহত রাখতে সব প্রকল্প ও কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয় তার পদক্ষেপ ও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিশেষ করে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবকে বিবেচনায় রেখে শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, উচ্চ শিক্ষার পর গ্রাজুয়েটদের চাকরি নিশ্চিত করতে ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম চালু করা হবে। এ বছরই এর একটি ‘পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রণয়ন করা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
