নিউজ ডেস্ক।।
এডিপিও হারুন-অর-রশিদ এর নেতৃত্বে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার,ম্যানেজিং কমিটি ও সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের আলাদা আলাদা তদন্ত ও সমন্বিত তদন্ত কমিটির সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তক্রমে নারী প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতকারী দপ্তরী রাকিব খানের চাকুরী চুক্তিনামা বাতিল সহ ফাইনালি ডিসমিস করেছে (তদন্ত কমিটি) ।
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিকেলের দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের শ্রেণিকক্ষ খুলে পরিষ্কার করতে বলায় ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে পেটায় ও পরিবারের লোকজন ডেকে অকথ্য ভাষায় গালাগালিও করেছেন। প্রকাশ্যে এমন মারধরের শিকার হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ওই নারী শিক্ষক।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় কক্ষগুলোতে ধুলার আস্তরণ পড়ে গেছে। ফলে প্রধান শিক্ষক নীলুফা খানম শ্রেণিকক্ষগুলো পরিষ্কার করতে দপ্তরি রাকিবকে ডাকেন।
দপ্তরি রাকিব সরাসরি ক্লাসরুম পরিষ্কার করতে অপারগতা জানান। বন্ধের এই সময় কোনোরকম কাজ করতে পারবেন না বলে সাফ উত্তর দেন।
এ সময় এক কথা দু’ কথা হতে হতে স্কুলের মাঠেই প্রধান শিক্ষক নীলুফাকে মারধর করেন দপ্তরি। পরে রাকিবের ভাই এসেও গালমন্দ করেন শিক্ষিকাকে।
প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রধান শিক্ষক নিলুফা।
স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় অপমানে কেঁদে ফেলেন ওই নারী শিক্ষক। বলেন, ‘সে আমাকে মারার জন্য খুন্তি নিয়ে আসে। অন্যরা বাধা দেয়ায় স্কুলের মাঠে আমার মাথায় সজোরে ঘুষি মারে। আমি হেড মিস্ট্রেস, আমাকে এভাবে মারতে পারে সে!’
রাকিবের বিরুদ্ধে মাদকসেবনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘সে নিয়মিত গাঁজা, ইয়াবা সেবন করে। কিছু করতে বললে ক্ষেপে উঠে।’
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন দপ্তরি রাকিবকে না আটকালে বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পড়ে যেতেন প্রধান শিক্ষিকা। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন মারধরের শিকার শিক্ষিকা। পুলিশ বলছে, তারা দ্রুতই ব্যবস্থা নেবে।
গফরগাঁও পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান বলেন, এ ঘটনার কথা জেনেছি। শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে থেকে অভিযোগ পেলে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
