অনলাইন ডেস্ক।।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হওয়ার পর থেকে রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী নানা সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে দোকান গণপরিবহন খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। শপিং মল, গণপরিবহন খুলে দেওয়ার জন নিজেরাই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সরকারকে কথাও দেন- যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার। কিন্তু খুলে দেওয়ার পরে আর কোনও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। এ পরিস্থিতিতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, কথা দিয়ে কেউ কথা রাখেনি।
প্রতিদিন মার্কেটে ভীড়, ফুটপাতে গা ঘেঁষাঘেষি করে কেনাকাটা করার চিত্র, গাদাগাদি করে মার্কহীন অবস্থায় ফেরি পার হয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে। সেইসব ছবি দেখে হতাশাব্যক্ত করে তিনি বলেন, নিজেদের ভালো আমরা কেউ বুঝতে চাইলাম না। একটু দুরত্ব রেখে দাঁড়ানো আর শতভাগ ডাবল মাস্ক ব্যবহার করলেই সব স্বাভাবিক করে দেওয়া যেত। কিন্তু যা কিছুই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, মানুষ কোনটিই মানেনি।
যখনই আমরা আটকানোর চেষ্টা করেছি তখনই সব খুলে দিয়ে নানা অনুরোধ আন্দোলন হয়েছে। সবাই নিয়ম মানার কথা দিচ্ছে কিন্তু যেই তাদের কথা বিবেচনা করে আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি, অমনি তারা কথা রাখছেন না। হতাশার বিষয় হলো এতো দেখেও শিখছি না। মানুষকে নিয়ন্ত্রণের কোনও উপায় আর নেই। বেপরোয়া হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, এপ্রিল মাসে বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন মে মাস নাগাদ আমাদের এখানে সংক্রমণের মাত্রা কমে আসবে। গত কয়েকদিন ঈদকে কেন্দ্র করে যা ঘটতে দেখা যাচ্ছে আগামী ১৪দিন পর আমরা তার ফলাফল পাব। যারা নির্দেশ মানেননি, অমান্য করে নিজেদের রিস্ক নিয়ে ভীড়ে গেছেন তারা যেন তাদের পরিণতির জন্য কোনভাবে সরকারকে দায়ী না করেন। সরকার তার সাধ্যমতো সকল চেষ্টা করেছে,পরিস্থিতি বুঝেই নিষেধাজ্ঞাসহ কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
