নিউজ ডেস্ক।।
বঞ্চিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রথমিক শিক্ষক সমিতি (মহাজোট)। গত বুধবার থেকে তিনদিনের এ কর্মসূচি শুরু হয়ে গতকাল শুক্রবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
এ কর্মসূচির সভাপতিত্ব করছেন সংগঠনটির আহ্বায়ক বদরুল আমিন সরকার। এর আগে ২০১৮ সালে ১৮ দিন ও ২০১৯ সালে টানা ৫৬ দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি পালনের পর আবারো লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সংগঠনটি। এতে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার শতাধিক শিক্ষক।
মহাজোটের যুগ্ম আহ্বায়ক মতিয়ার রহমান বলেন, ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, সে সময় যথাযথ যোগ্যতা থাকার পরেও জাতীয়করণের জন্য তৃতীয় ধাপে ৯৬০টি বিদ্যালয়ের বাইরে সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে আরও চার হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে এসব বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু এখনো সেগুলো জাতীয়করণ হয়নি।
অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষকরা বলেন, চার হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের আওতায় না এলে আমরা দীর্ঘদিন বিভিন্ন সময় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি। এ সময় একজন শিক্ষক ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এছাড়া সারা দেশের ১০ বেসরকারি শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এদের পরিবারকে দেখার মতো কেউ নেই। যারা জীবিত আছেন তারা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের মুখে খাবার, ওষুধপত্র তুলে দিতে পারছেন না। ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে পাচ্ছেন না। তারা পরিবারসহ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ দফায় অন্দোলনের পরেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
