এইমাত্র পাওয়া

৩ মাসের অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করছে এনসিটিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

আগামী বছর মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান- এমন ধারণাই করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য তিন মাসের অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। শিক্ষাক্রম উইং সদস্য প্রফেসর মশিউজ্জামান বাংলাদেশ জার্নালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করা হবে, তবে ১৬ জানুয়ারির আগে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। প্রাইমারিতে প্রথম প্রান্তিকে আগের বর্ষের পাঠদান পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র সাহা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, তিন মাসের অ্যাসাইনমেন্ট এর পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিলো এবার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে নতুন তৈরি অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

তবে প্রফেসর মশিউজ্জামান জানান, অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয়া, নেয়া বা মার্কিং করা গুরুত্বপূর্ণ না। এবার সেলফ্ লার্নিং পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিতে চাই। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের যে কাজ দেয়া হবে, তারা একক বা দলগতভাবে তা করতে পারবে। এতে শিক্ষার্থীদের ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং, কো-অপারেশন, কোলাবোরেশন এসব স্কিলগুলো গ্রো করবে।

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সিলেবাস এবার সংক্ষিপ্ত করা হবে না। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা কোন বিষয়ে দুর্বল রয়েছে তা চিহ্নিত করা হয়েছে। নতুন ক্লাসে পড়ানোর সময় তারা আগের ক্লাসের পাঠ রিভিউ নিশ্চিত করবেন। শিক্ষক নির্দেশিকা তৈরি করেছি, চলতি মাসে তা শিক্ষকদের কাছে পাঠানো হবে। শিগগিরই এসকল বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষাক্রম সদস্য ড. রিয়াজুল হাসান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে প্রাইমারি শিক্ষার্থীদের জন্য ৬০-৭০ দিনের পাঠ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসময় তাদের পূর্বের ক্লাসের পাঠদান দেয়া হবে। কারণ প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.