নিজস্ব প্রতিবেদক।।
করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে দেশের সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বন্ধে আটকে গেছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকের চূড়ান্ত পরীক্ষা। এতে অনেক শিক্ষার্থী ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। এ অবস্থায় আবার ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ফলে স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীরা আবেদন বঞ্চিত হবেন। এ অবস্থায় বিভিন্ন মহল থেকে ৪৩তম বিসিএসে আবেদনের সময় বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ এই পরীক্ষায় আবেদনের সময় বাড়ানোর আহ্বান করেছেন।
দুই উপাচার্যই গণমাধ্যমের মাধ্যমে এ আবেদন জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, করোনার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে যারা চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা দেবেন তাদের ক্ষতিটা সবচেয়ে বেশি। আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানাবো, আমাদের কোনো শিক্ষার্থী যেন চাকরি কিংবা বিসিএসের আবেদন থেকে বঞ্চিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ৪৩তম বিসিএসের আবেদনের সময় মার্চ-এপ্রিলের দিকে করার আহবান জানান তিনি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, আমাদের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের অর্ধেক পরীক্ষা হয়ে গেছে। অবশিষ্ট পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেয়ার চেষ্টা করছি। করোনা মহামারীর মধ্যে বিসিএস কিংবা বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করাটাই ভালো ছিল। এর ফলে আমাদের ২ লাখ ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অনেক চাকরির পরীক্ষা এবং বিসিএসে আবেদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই সময় বাড়ালে ভালো হয়।
উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪৩তম বিসিএসের আবেদন শুরু হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
