বিন-ই-আমিন ঃ
EFT(Electronic Fund Transfer)’র মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি প্রদানের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবী “জাতীয়করণ” এর একধাপ এগিয়ে গেলো। বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের একাধিক দাবীর মধ্যে কমন দাবী ছিলো শিক্ষা জাতীয়করণ। ইএফটির মাধ্যমে বেতন পাওয়া শুরু হলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবী জাতীয়করণ আদায়ের পক্ষে অনেকটা এগিয়ে যাবে শিক্ষক সমাজ। ফলে জাতিকে মানসম্মত শিক্ষা ও গুনগত শিক্ষা উপহার দিতে শিক্ষক সমাজ আরো আন্তরিক হবে। কারন জাতীয়করণ ছাড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত ও গুণগত শিক্ষা প্রদান কঠিন।
জানাযায়,২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলক EFT’র মাধ্যমে বেতন দেওয়া শুরু করবে সরকার। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের মার্চে উদ্বোধনের পরই সকল শিক্ষক কর্মচারী ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার’র মাধ্যমে তাদের বেতন ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে রেজুলেশন চুড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে।
ইএফটির মাধ্যমে বেতন পাওয়া শুরু হলে শিক্ষক কর্মচারীদের উপর কমিটির অযথা হয়রানি ও দৌরাত্ম দুর হবে। বিনা কারনে অথবা সামান্য কারনে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন আটকে রাখা বা কর্তণ করা দুর হবে। বেতন বিলে সভাপতির স্বাক্ষরের জন্য তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করা লাগবেনা। প্রধান শিক্ষকের একচ্ছত্র আধিপত্য অনেকটা কমে যাবে। শিক্ষকগণ নির্ভয়ে পাঠদান করাতে পারবেন। শিক্ষক- কর্মচারীদের সামান্য কারনে বিরাট শাস্তি পাওয়ার দিন শেষ হবে। ব্যাংকের দৌরাত্ম্য দুর হবে। লাইনে, রাস্তায় ও রোদ্রে দাড়িয়ে বেতনের জন্য অপেক্ষা করা লাগবেনা। বেতন ছাড় হলেই নির্দিষ্ট একাউন্টে জমা হবে, ফলে বেতন ছাড়ের জন্য অপেক্ষা করা লাগবেনা। এটিএম কার্ড দিয়েও যেকোনো সময় বেতন তোলা যাবে। একসাথে একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন তোলার সুযোগ থাকবেনা। দূর্ণীতি কমে যাবে। সর্বোপরী “জাতীয়করণ” দাবী আরো জোরালো হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
