শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে। ২০১৭ সালে মানোন্নয়ন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমাতে এই ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মানোন্নয়নের কথা বলা হলেও নানা সমস্যার মুখে পড়ে আছেন তারা। তারা একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন। এবার ফের আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা। শুরুর দিকে নানা অচলাবস্থা দেখা যায় এই কলেজগুলোতে। সময়মতো পরীক্ষা না নেয়া। ফলাফল প্রণয়নে দেরি হওয়া ইত্যাদি ছিল তাদের অভিযোগ।
তখন শিক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৬৭ হাজার। আর এখন শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
মিরপুর বাঙ্লা কলেজের শিক্ষার্থী রায়জা চৌধুরী বলেন, রাজধানীতে পড়তে আসাটাই ভুল হয়েছে। আমাদের সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা এগিয়ে যাচ্ছে। আর আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এমনিতেই নানা অভিযোগ তার ওপর যুক্ত হয়েছে করোনা। আর পারছি না ভাই। এবার একটা সমাধান চাই। তিতুমীর কলেজের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিদয় আলম বলেন, পরীক্ষা দেয়ার ১১ মাস পরে ফলাফল পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য হতাশাজনক। আমাদের উন্নয়নের জন্য ঢাবির আওতাভুক্ত করা হলো। এই যদি হয় উন্নয়ন তবে, এর কী প্রয়োজন ছিল। ২০১৭ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙ্লা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজকে ঢাবি’র অধিভুক্ত করা হয়।
সরকারি তিতুমীর কলেজের আরেক শিক্ষার্থী পরশ হাসান বলেন, আমাদের অনলাইনে ক্লাস হয় নামমাত্র। তাও একমাস ধরে বন্ধ। কয়েকটি বিভাগে অনলাইনে ক্লাস চলছে নামমাত্র। এর ফলে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রথম থেকেই অনলাইনে ক্লাস চলছে। এই কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আদিব হাসান বলেন, এই ক্লাস করা না করা একই কথা। কোনো এটেনডেন্স নেই, পরীক্ষা নেই। এছাড়াও ইন্টারনেটসহ স্মার্টফোনের সংকটতো আছেই।
এর আগেও বেশ কয়েকবার আন্দোলন করেছেন অধিভুক্ত শিক্ষার্থীরা। এবার ফের আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তারা। এই আন্দোলনের পূর্ব প্রস্তুতি স্বরূপ গত শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিলিত হয়েছিলেন তারা। এই সভা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়- ৪ঠা নভেম্বর বুধবার সকাল ১০টায় নীলক্ষেত মোড়ে মানববন্ধন করবেন তারা।
এই সভায় অংশ নেয়া আমজাদ হোসাইন সিয়াম বলেন, সরকারি এই ৭টি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত করার পর থেকে ভোগান্তি যেন পিছু ছাড়ছে না। নানা অনিয়মের অভিযোগ করে আমরা সমাধান চেয়ে বারবার রাস্তায় নেমেছি। কিন্তু কার্যকরী কোনো সমাধান পাইনি। ঢাবির অধিভুক্তির পর থেকে তীব্র সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রিতা, ত্রুটিযুক্ত ফলাফল প্রকাশসহ নানা সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাদের। এসব সমস্যার সমাধানে ঢাবি কর্তৃপক্ষ দৃশ্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
মিরপুর বাঙ্লা কলেজের শিক্ষার্থী রায়জা চৌধুরী বলেন, রাজধানীতে পড়তে আসাটাই ভুল হয়েছে। আমাদের সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা এগিয়ে যাচ্ছে। আর আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এমনিতেই নানা অভিযোগ তার ওপর যুক্ত হয়েছে করোনা। আর পারছি না ভাই। এবার একটা সমাধান চাই। তিতুমীর কলেজের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিদয় আলম বলেন, পরীক্ষা দেয়ার ১১ মাস পরে ফলাফল পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য হতাশাজনক। আমাদের উন্নয়নের জন্য ঢাবির আওতাভুক্ত করা হলো। এই যদি হয় উন্নয়ন তবে, এর কী প্রয়োজন ছিল। ২০১৭ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙ্লা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজকে ঢাবি’র অধিভুক্ত করা হয়।
সরকারি তিতুমীর কলেজের আরেক শিক্ষার্থী পরশ হাসান বলেন, আমাদের অনলাইনে ক্লাস হয় নামমাত্র। তাও একমাস ধরে বন্ধ। কয়েকটি বিভাগে অনলাইনে ক্লাস চলছে নামমাত্র। এর ফলে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রথম থেকেই অনলাইনে ক্লাস চলছে। এই কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আদিব হাসান বলেন, এই ক্লাস করা না করা একই কথা। কোনো এটেনডেন্স নেই, পরীক্ষা নেই। এছাড়াও ইন্টারনেটসহ স্মার্টফোনের সংকটতো আছেই।
এর আগেও বেশ কয়েকবার আন্দোলন করেছেন অধিভুক্ত শিক্ষার্থীরা। এবার ফের আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তারা। এই আন্দোলনের পূর্ব প্রস্তুতি স্বরূপ গত শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিলিত হয়েছিলেন তারা। এই সভা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়- ৪ঠা নভেম্বর বুধবার সকাল ১০টায় নীলক্ষেত মোড়ে মানববন্ধন করবেন তারা।
এই সভায় অংশ নেয়া আমজাদ হোসাইন সিয়াম বলেন, সরকারি এই ৭টি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত করার পর থেকে ভোগান্তি যেন পিছু ছাড়ছে না। নানা অনিয়মের অভিযোগ করে আমরা সমাধান চেয়ে বারবার রাস্তায় নেমেছি। কিন্তু কার্যকরী কোনো সমাধান পাইনি। ঢাবির অধিভুক্তির পর থেকে তীব্র সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রিতা, ত্রুটিযুক্ত ফলাফল প্রকাশসহ নানা সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাদের। এসব সমস্যার সমাধানে ঢাবি কর্তৃপক্ষ দৃশ্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
শেয়ার করুন এই পোস্ট
- Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
- Share on Telegram (Opens in new window) Telegram
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Print (Opens in new window) Print
- Email a link to a friend (Opens in new window) Email
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
