নিউজ ডেস্ক।।
মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেতনা ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গঠিত সরকারি কলেজ স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতি (সকস্বাশিস) কর্তৃক গতকাল বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি ডক্টর মো. মোস্তফা আনোয়ার(কিষান মোস্তফা) এর সভাপতিত্বে রাত ৯ টায় এ ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজের আইকন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সম্মানিত সভাপতি এবং সরকারি কলেজ স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,” “শিক্ষক হিসেবে আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। আমরা যদি নিজেদের পদ-পদবির জন্য মানুষের কাছে দৌড়াদৌড়ি করি তাহলে শিক্ষক হিসেবে আমাদের মর্যাদা থাকে কোথায়? অতএব শিক্ষকরা তাঁদের মর্যাদা নিয়ে চলবে এটাই আমি প্রত্যাশা করি।”
তিনি আরো বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা যখন স্বাধীনতা অর্জন করলাম তখন বঙ্গবন্ধু সত্যিকার অর্থে শিক্ষক বান্ধব একজন মানুষ ছিলেন। বহু দৃষ্টান্ত দেওয়া যেতে পারে। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করে প্রাথমিক শিক্ষকদের বঙ্গবন্ধু যে সম্মান এবং মর্যাদা দিয়েছিলেন এখনো আমাদের দেশে আমরা এটা প্রতিমুহূর্তে স্মরণ করি।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাব্যাক্তিত্ব, নায়েমের প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়ন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. লোকমান হোসেন এবং বিশিষ্ট নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ এ বছরের নাট্য সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট বাগ্মী অধ্যাপক ডক্টর রতন সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি মোফাচ্ছের হোসাইন (জীবন)। বক্তব্য রাখেন ওবায়দুল হক খান এবং অনুপম ভদ্র। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কমল কান্তি রায়, অজিত কুমার দে, বীরেন্দ্র কুমার দেব, আশরাফুল ইসলাম, সঞ্জয় চন্দ্র দাস, দিলীপ কুমার চক্রবর্তী, আব্দুল মুমিত চৌধুরী, ফয়সাল হাবিব, শেখ এ টি এম আজরফ, উল্লাসীনি সরকার, সঞ্জয় কুমার সাহা প্রমুখ।
মূল প্রবন্ধে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মাধ্যমিক স্কুল ও একটি করে কলেজ সরকারি করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। শিক্ষকদের চলমান সঙ্কট, বাংলাদেশে শিক্ষকদের সম্মান, মর্যাদা এবং সদ্য সরকারিকৃত কলেজগুলোর অবস্থান সম্পর্কে তুলে ধরা হয়। সদ্য সরকারিকৃত ৩০২ টি কলেজের আত্তীকরণের কাজের ধীরগতির কারণ এবং দ্রুত এ কাজ সম্পন্নের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রবন্ধে সদ্য সরকারিকৃত কলেজের বর্তমান সংকট নিরসনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
