নিউজ ডেস্ক।।
যান্ত্রিক শহরের নাগরিক জীবনে ইচ্ছে থাকলেও জায়গার অভাবে সবার পক্ষে ফুল বা সবজি বাগান করা সম্ভব হয় না। তাই অনেকেই ভবনের ছাদে বাগান করেন। ফুলের গাছের পাশাপাশি শাকসবজি ও ফলের গাছও লাগান। তাতে সৌন্দর্যের সঙ্গে তাজা বিষমুক্ত ফলমূলও খাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। দেশে মূলত এই দুই উদ্দেশ্যেই ছাদ বাগান করা হয়। তবে শখের বসে বাড়ির ছাদে ফুলের বাগান করা শুরু হলেও এখন তা রীতিমতো ‘ছাদ কৃষি’তে রূপ নিয়েছে। কোনো কোনো পরিবারে এই ছাদ-কৃষি বাড়তি আয়ের উৎসও হয়ে উঠছে। ছাদ বাগান ঘিরে নার্সারি ব্যবসারও প্রসার ঘটছে। এই ছাদ বাগান ঘিরে পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ছাদ বাগান বা ছাদ কৃষি একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ঢাকার শহরে সব মিলিয়ে ১২ থেকে ১৩ লাখের মতো ছাদ রয়েছে। আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় শতভাগ মানুষ নগরে বাস করবে। তাই নগরে ছাদ ব্যবহার করতে হবে কৃষি উৎপাদনে। সারা পৃথিবীতেই ছাদে চাষ পদ্ধতি জনপ্রিয় করার কাজ চলছে। ভিয়েতনামের সবজি চাষের ৫০ শতাংশ হয় ছাদে। জাপানের টোকিও শহরে ছাদে ২৫ শতাংশ বাগান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাদের জায়গাটুকুর সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করে ছাদ কৃষির মাধ্যমে পরিবারের শাকসবজি ও ফলের চাহিদা মেটানো সম্ভব। ছাদ বাগান একদিকে যেমন ছাদের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে, তেমনি রক্ষা করে পরিবেশের ভারসাম্য। সরবরাহ করে বিশুদ্ধ অক্সিজেন। কমিয়ে আনে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ক্ষতির পরিমাণ। তাই সামান্য আন্তরিকতা আর সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে এই সম্ভাবনাময় দিকটাকে অনেক দূর নিয়ে যাওয়া সম্ভব
বলে মনে করেন তারা।
গত ১৬ আগস্ট করোনাকালীন বৈশ্বিক বিপর্যয়ের কঠিন পরিস্থিতিতে নগর-কৃষির গুরুত্ব আর ছাদ বাগানের পাশাপাশি প্রবাসে বাঙালির আঙিনা কৃষি বিষয়ে আন্তর্জাতিক নগরকৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের কৃষি ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন জনের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী ভার্চুয়াল ওই সম্মেলনে অংশ নেন। আলোচনায় ছাদ কৃষি গুরুত্ব পায়।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর খাদ্য উৎপাদন উন্নত দেশে ৭০ শতাংশ এবং বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশে শতভাগ বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে নগর কৃষি বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা শহরের সব ছাদে পরিকল্পিতভাবে বাগান করা গেলে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমানো সম্ভব। ঢাকা শহরের প্রায় ৭০ শতাংশই আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা, যা এই নগরীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অনেকাংশে দায়ী।
এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ঢাকা শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ জায়গায় কংক্রিটের কাঠামো রয়েছে, যা শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে। অধিক জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যানবাহন, জলাধার ও গাছপালা কমে যাওয়ার কারণে ঢাকার পরিবেশ দূষণ বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় অনেক বেশি।
ছাদ কৃষির বিষয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এএফএম জামাল উদ্দিন বলেন, ঢাকা শহরে গাছপালা কম থাকায় অক্সিজেনের উৎপাদন কম এবং কার্বন ডাই-অক্সইডের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ঢাকার চেয়ে গাজীপুরের তাপমাত্রা স্থানভেদে প্রায় ২ থেকে ৪ ডিগ্রি কম। রাস্তার পাশে বা ছাদের বাগানে বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদের সংখ্যা পর্যাপ্ত পরিমাণে বাড়ানো হলে তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি কমানো সম্ভব, যা বিশ্বের তাপমাত্রা কমানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অবদান রাখবে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং ছাদ বাগান বিশেষভাবে কার্যকর হবে বলে মনে করছি।
তিনি বলেন, ঢাকার শহরে ৬০-৭০ ভাগ কংক্রিট দাঁড়িয়ে আছে। ১০ বছর আগে এখানে গাছপালা ছিল ১৬-১৭ ভাগ। এরও ২৫-৩০ বছর আগে ছিল ৩০ ভাগের বেশি। এখন এটা কমতে কমতে ৮ ভাগে নেমে এসেছে। এর কারণ হলো, ভবন বাড়ছে, রাস্তা হচ্ছে। গাছ কেটে ফাঁকা করে ফেলা হচ্ছে। তবে আশার কথা হলো, বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ বুঝতে পারছে ছাদ বাগান অত্যন্ত লাভজনক শুধু নয়, পরিবেশ রক্ষায় এর বিরাট ভূমিকা আছে। ৯০ ভাগ মানুষই এখন ছাদ বাগান সম্পর্কে জানে এবং প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ এটা চর্চা করছেন। এর মধ্যে যাদের নিজেদের বাড়ি আছে এবং যারা পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন, তারা ছাদ বাগান করছেন।
ছাদ কৃষি নিয়ে কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বলেন, চার দশক কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে মিশে থাকার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। স্বপ্ন ছিল, শহর-নগরের মানুষের মাঝেও কৃষির শক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার। তাই আশির দশকেই বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠান শুরু করেছিলাম। এই ধারাবাহিকতায় গত চার বছর চ্যানেল আইতে ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষের ডাক’ অনুষ্ঠানে চলছে ‘ছাদ কৃষি’ নিয়ে আয়োজন। বিস্ময়কর সাড়া পেয়েছি এই আয়োজনে। ঢাকা নয় শুধু, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় ও জেলা শহর- এমনকি উপজেলা পর্যায়েও এখন ছাদ কৃষির জয়জয়কার। ভালো লাগে, আমাদের ছোট্ট দেশটির স্থলভাগে যখন আবাদযোগ্য জমি প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট হারে কমছে, তখন আমাদের মাথার ওপরে সেজে উঠছে ফসলের একটি সবুজ স্তর।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখতে প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব অবস্থান থেকে কৃষি উদ্যোগী হতে হবে। নিজে ও পৃথিবীকে বাঁচাতে কৃষির কোনো বিকল্প নেই। এটি পরিবেশের পুষ্টির জন্য যেমন প্রয়োজন; একইভাবে প্রয়োজন শরীরের নিখাদ পুষ্টির জন্যও।
ছাদ বাগান নিয়ে নগর কৃষি উৎপাদন সহায়ক (পাইলট) প্রকল্পের পরিচালক কৃষিবিদ তাহেরুল ইসলাম বলেন, আমরা ৪০টি জেলার ফলোআপ করে একটি পাইলট প্রকল্প করেছি। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ মেট্রোপলিটন এলাকাগুলো। ঢাকার শহরে ওয়ার্ড রয়েছে ১২৯টি। এখানে জরিপ অধিদপ্তর একটি জরিপ করে দেখেছে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রায় ১২ হাজারের মতো ছাদ রয়েছে। সব মিলিয়ে ঢাকা ও তার আশপাশ এলাকা মিলে ছাদ রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ। গত বছরের একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে ঢাকায় ছাদ বাগান ছিল ৬ হাজার ৭৭৫টি। এ বছর আরও এক হাজার বেড়েছে এবং প্রতিদিন এর সংখ্যা বাড়ছে। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ছাদ বাগান রয়েছে নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার শহরে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এ প্রকল্পের আওতায় তিন বছরে ৬০০ বাগান করা হবে। স্কুল-কলেজে গার্ডেনিং করব ৬০টি। রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং করব ৫০টি এবং ৯০ ভাগ প্রশিক্ষণ করব এ সময়ের মধ্যে।
ছাদ বাগানে ফুল, ফল ও সবজি কোনটির বেশি চাষ হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাদ বাগানে সবজিই বেশি চাষ হচ্ছে। আসলে নগরবাসী নিরাপদ ফল ও সবজির আশার এখন ছাদ কৃষিতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্তরা ছাদ বাগান করতে বেশি আগ্রহী। এখানে নারী উদ্যোক্তা বেশি দেখা যাচ্ছে। করোনাকালে অনেকেই ছাদের বাগান পরিচর্যা করে সময় পার করছেন।
দেশে ছাদ বাগানের পথিকৃৎ বিবেচনা করা হয় রাজধানীর রামপুরার টিপু সুলতান খানকে। তিনি গড়ে তুলেছিলেন ‘গ্রিন রুফ মুভমেন্ট’ নামে একটি সংগঠন। তার মৃত্যুর পর সংগঠনের দায়িত্ব নেন গোলাম হায়দার। তিনি একজন প্রকৌশলী হলেও ছাদ বাগান থেকে এখন কৃষিকেই তার পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
গোলাম হায়দার বলেন, ৩০ বছর আগে আমি ছাদ বাগান শুরু করি। তারও আগে কাজ শুরু করেন টিপু সুলতান খান। তিনিই এই সংগঠনটি গড়ে তোলেন। আমরা বাগান করতে পরামর্শ দেই, প্রচার চালাই, উদ্বুদ্ধ করি। এ ছাড়াও সভা-সেমিনার ও লিফলেট বিতরণ করেছি ছাদ বাগানের জন্য। কিন্তু আমরা বিপ্লব ঘটে গেছে বলে মনে করলেও আসলে তা নয়। ঢাকায় যত ছাদ আছে তার মাত্র পাঁচ ভাগে বাগান আছে। তবে উৎসাহ বাড়ছে। আমরা বলি, বাড়ির ছাদকে সবুজ করুন। সেটা শাকসবজি বা ফলের চাষ, ফুল গাছ লাগানো বা যে-কোনো ধরনের প্ল্যান্টেশনের মাধ্যমে হতে পারে। সাধারণভাবে বলা হয়, এটি করলে অক্সিজেনের ঘাটতি দূর হবে, কার্বন ডাই-অক্সাইড কমবে। বাড়ি শীতল থাকবে। এর বাইরেও আমরা যেটা বলি- শহরে ছাদ বাগান যত বাড়বে, তত শিক্ষিত কৃষক তৈরি হবে। ছাদ বাগানের আগ্রহ মানুষকে কৃষিতে দক্ষ করবে।
নিজের হাতে গড়া ছাদ বাগান নিয়ে চিত্রনায়িকা ববিতা বলেন, বাগান করার শখ আমার সেই অভিনয় জীবন থেকেই। শৈশবের গ্রামের প্রকৃতি, পুকুর, চাঁদ, চাঁদনি রাত অনেক মিস করি। গুলশানে থেকে কোথাও যাওয়াও সম্ভব নয়। এত সবুজ কোথায় পাব? তাই ভাবলাম, একা থাকি, এত ঘর তো আমার দরকার নেই। তাই স্থপতির সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করে বাগান করার সিদ্ধান্ত নেই। প্রতিদিন সকালে নিজ হাতে একটি একটি করে গাছের পরিচর্যা করি। কয়েক বছর ধরে বাগানের পরিচর্যার কাজ আমার রুটিন হয়ে গেছে। এটা আমার কাছে নেশার মতো।
তিনি আরও বলেন, সাধারণত বিদেশে গেলে কমবেশি সবাই এটাসেটা কেনেন। আমার ওসবে আগ্রহ কম। আমি দেশের বাইরে গেলে চলে যাই বড় বড় নার্সারিতে। কিনে আনি অপরিচিত ফুলের গাছ। যেগুলো আমাদের দেশে নেই। আমার বাগানের ফুল গাছগুলো এনেছি কানাডা, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর থেকে। যেগুলো আনতে অনেক পরিশ্রম হয়েছে আমার।
নিজের ছাদ বাগান নিয়ে কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, বৃষ্টির শব্দ আমার খুব ভালো লাগে। প্রকৃতিকে ভালোবেসেই আমি পুরো বাড়িটা সাজিয়েছি। প্রাকৃতিক আবেশে গড়া আমার পুরো বাড়ির দ্বিতল ছাদ জুড়ে রয়েছে নানা ধরনের ফল আর ফুলের গাছ। ছাদের সামনের অংশের পুরোটা জুড়ে রয়েছে কাঠগোলাপ গাছ। রয়েছে বাগানবিলাস ও বেশকিছু কাঁচামরিচের গাছও।
তিনি আরও বলেন, বাগানের ফল আমরা বাসার সবাই মিলে খেলেও কিছু রেখে দেই পাখির জন্য। আমি বিশ্বাস করি যে মানুষ যত বেশি প্রকৃতিকে ভালোবাসেন, তিনি তত বেশি ভাবতে পারেন, আর তার ভাবনাগুলো খুব বেশি সৃষ্টিশীল হয়। প্রকৃতি যদি মানুষকে ছুঁয়ে না যায়, তা হলে মনটাও প্রসারিত হয় না। তাই একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য হলেও সবার নিজ বাড়িতে যতটুকু জায়গাই থাকুক তাতে গাছ লাগান উচিত বলে আমি মনে করি।
মেডিক্যাল বায়োলজিস্ট ডা. ফেরদৌস আরা বলেন, বাগান করা আমার নেশা। তাই নিজের বাড়ির ছাদে বাগান করেছি। আমার বাগানে ফল, ফুল আর সবজি চাষ করছি। পরিবারের সবজির চাহিদার বেশিরভাগই পূরণ হয় ছাদ বাগান থেকে। মোহাম্মদপুরের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তফা হাসান ইমাম বলেন, আমি অবসরে যাওয়ার পর ছাদ বাগান করেছি। অবসর জীবনের বেশিরভাগ সময় আমি বাগান পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। নিজের ছাদ বাগান থেকে নানা রকম ফলমূল খাচ্ছি।
বাগান পদ্ধতি
ছাদে বাগান দুভাগে করা যায়। একটি হলো, কাঠ বা লোহার ফ্রেমে এঁটে বেড তৈরি করে এবং অন্যটি হলো টব, ড্রাম, পট ও কনটেইনার ব্যবহার করে।
ছাদ বাগানে টবের মধ্যে অনায়াসেই চাষ করা যায় বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মরিচ, শসা, লাউ, কুমড়া, ঢেঁড়স, বরবটি, সিম, ক্যাপসিকাম, লেটুসপাতা, পুদিনাপাতা, ধনেপাতাসহ প্রায় সব ধরনের সবজি। এ ছাড়াও আম, জাম, লিচু, শরিফা, সফেদা, কামরাঙ্গা, বাতাবিলেবু, জলপাই, কদবেল, ডালিম, পেয়ারা, কমলা, মালটা, কুলসহ নানা ধরনের মৌসুমি ফল। বিদেশি জাতের অনেক ফলও চাষ করা যায় সহজেই।সুত্র আমাদের সময়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
