করোনাকালে বেরিয়ে এসেছে দেশের স্বাস্থ্যখাতের রুগ্ণদশা। ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতটিতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে এসেছে। মাস্ক কেলেঙ্কারির তথ্য বেরোতে না বেরোতেই ভুয়া করোনা সার্টিফিকেট বাণিজ্যের তথ্য পাওয়া যায়।
এরপর একে একে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল এডুকেশন শাখার বরখাস্ত হওয়া হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছেন অধিপ্তরের ডিজি’র গাড়িচালক আবদুল মালেক।
তবে শুধু আবজাল বা মালেকই নয়, এই খাতে রয়েছে বহু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী। ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক ও কেরানিসহ তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির আরো ৪৪ জন কোটিপতির তথ্য পাওয়া গেছে।
এদের মধ্যে চালক, কেরানি ছাড়াও রয়েছেন অধিদপ্তরের অফিস সহকারি, স্টোর কিপার ও কম্পিউটার অপারেটর। অনুসন্ধানে এসব কর্মচারীর অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পাওয়ায় দুদকের পক্ষ থেকে সম্পদ বিবরণীর নোটিশও জারি করা হয়েছে। সেইসাথে চলছে তাদের সম্পদের অনুসন্ধান। এদের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।
অনুসন্ধানে সম্পদের বৈধ উৎস না পাওয়ায় এরইমধ্যে ১১ জন কর্মচারীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে দুদক। বাকিদের নামেও শিগগিরই সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠানো হবে।
তবে কারো নাম উল্লেখ না করে ৪৫ জনের অনুসন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সচিব দিলোয়ার বখত।
ড্রাইভার আবদুল মালেকের সম্পদের অনুসন্ধান একবছর ধরেই চলছে উল্লেখ করে তিনি জানান, তার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়ায় সম্পদের নোটিশও পাঠানো হয়েছে।
ইতোমধ্যে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে দুদক সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া চলতি মাসেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরো কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
