প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর (পিইসি) গ্রেড বিন্যাস নিয়ে জটিলতায় পড়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার এক বৈঠকে গ্রেড বিন্যাসের পাঁচটি প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হতে পারে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত করবে। আগামী জেএসসি থেকেই এই পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হতে পারে।
এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা কোনো বোর্ড না থাকায় গ্রেড বিন্যাস নিয়ে কাজ করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসির গ্রেড বিন্যাস কেমন হবে তা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনোরকম সিদ্ধান্তে আসতে পারছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার গ্রেড বিন্যাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিল রেখে হবে নাকি ভিন্ন হবে তা নিয়ে একাধিক বৈঠকও করেছেন এ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘পিইসিতে বর্তমানে যে গ্রেড বিন্যাস রয়েছে, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রেড বিন্যাসের সঙ্গে মিল রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিল রেখেই পিইসির গ্রেড বিন্যাস করা হবে। তারপরও চূড়ান্ত করার আগে আমরা কমিটি করে তা যাচাই-বাছাই করব।’
এদিকে পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫-এর বদলে জিপিএ ৪ করার প্রস্তাবের পর গ্রেড বিন্যাস চূড়ান্ত করতে যাচাই-বাছাই শুরু করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। এই গ্রেড বিন্যাস অনেকটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই করা হয়েছে। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস নম্বর ৪০ হলেও পাবলিক পরীক্ষায় রাখা হয়েছে ৩৩ নম্বর। এ ছাড়া বর্তমানে ৮০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নম্বর পেলে গ্রেড এ+ দেওয়া হলেও একে ভেঙে দুটি গ্রেড করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত একটি পদ্ধতিতে ৯০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নম্বরকে ‘এক্সিলেন্ট’ লেটার গ্রেড হিসেবে রাখা হয়েছে, যার গ্রেড পয়েন্ট হবে ‘জিপিএ ৪ ’। আর ৮০ থেকে ৮৯ নম্বরকে রাখা হয়েছে ‘এ প্লাস’ গ্রেডে, যার গ্রেড পয়েন্ট হবে ‘জিপিএ ৩.৮৫’। এরপর ৫ নম্বরের ব্যবধানে গ্রেড পরিবর্তন করা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
