অনলাইন ডেস্ক।।
আজ শনিবার বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণকালে এবার জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কারণে ঈদুল ফিতরের জামাত ঈদগাহ অথবা খোলা জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রত্যেক মসজিদেই একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
অতিসম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সার্কুলার জারি করেছে। এ জন্য এবার রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ও দু’সিটি কর্পোরেশনের অধীনে কোনো খোলা জায়গা বা মাঠে ঈদ জামাত হচ্ছে না। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সকাল ৭টা থেকে এক ঘণ্টা পর পর ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মহাখালীস্থ মসজিদুল গাউছুল আজম কমপ্লেক্সে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেও একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আজ বাদ মাগরিব ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ উপস্থিত থাকবেন না। তার অনুপস্থিতিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন। ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর এপিএস শেখ নাজমুল হক সৈকত এ তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। টেলিফোন নম্বর : ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর : ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১। চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, ঈদগাহ কিংবা খোলা ময়দান নয় চট্টগ্রামে মসজিদেই আদায় করতে হবে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের জামাত।
সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের সব মসজিদে সামাজিক দূরত্ব আর স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঈদ জামাত অনুষ্ঠানের আহবান জানিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা ও ঈদ মুবারক জানান। বরিশাল ব্যুরো জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে এবার দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ মসজিদেই একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বড় মসজিদগুলোতে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এক ঘণ্টার ব্যবধানে ৪টি জামাতও অনুষ্ঠিত হবে। তবে এবার বরিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহসহ দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও উন্মুক্ত প্রান্তরে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
মসজিদে গাউছুল আজমে দু’টি ঈদ জামাত প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারীর সংক্রমণ কালে রাজধানীর মহাখালীস্থ মসজিদে গাউছুল আজমে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল ফিতরের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. নূরুল হক।
দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৯টায়। এতে ইমামতি করবেন ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। সকল ধর্মপ্রান মুসলমানদের উক্ত জামাতে সতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণের জন্য মসজিদ কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ আলাদা জায়নামাজ, মাস্ক নিশ্চিত পূর্বক মসজিদে প্রবেশের জন্য অনুরোধ করেছেন। এছাড়া মহিলাদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
