নিজস্ব প্রতিবেদক।।
৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার (২০২৫) মাধ্যমে ৩ হাজার ২৬৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২৯ সেপ্টেম্বর ও ২৭ অক্টোবরের চিঠির তথ্যের আলোকে ৩ হাজার ২৬৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। তারা জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ অনুসারে ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা বেতন পাবেন।
নিয়োগের শর্তে বলা হয়, তাদেরকে বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে। দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিসকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাথে পরামর্শ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।
চলতি মাসেই ৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলচলতি মাসেই ৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল
প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে বলেও এতে জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার থেকে ইস্তফা গ্রহণের আগে কোনো কর্মকর্তা দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকলে তার কাছে সরকারের প্রাপ্য সব অর্থ আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুসারে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা–২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ আদেশ সংশোধন বা বাতিলের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে। এছাড়া কোনো কর্মকর্তা বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে বা এ বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকলে তার নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, চাকরিতে যোগদানের সময় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে যৌতুক না নেওয়া ও না দেওয়ার অঙ্গীকারসংবলিত বন্ড দিতে হবে এবং সরকারের প্রচলিত ও ভবিষ্যৎ বিধি-বিধান অনুযায়ী চাকরি পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে যোগদানের সময় ও পরে নির্ধারিত মেয়াদে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী দাখিল করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের সনদ যাচাইয়ে জাল প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিল ও মামলা হবে এবং চাকরিতে যোগদানের জন্য কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা দেওয়া হবে না। শর্ত মেনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্ধারিত দপ্তরে যোগ দিতে হবে, অন্যথায় নিয়োগ বাতিল হবে।
তালিকা দেখুন এখানে
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
