খুলনাঃ একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, এক দশক বয়স হলেও যার নিজস্ব কোনো স্থাপনা নেই, সব-ই অস্থায়ী। সরেজমিনে দেখা যায়, দু’টি একাডেমিক ক্যাম্পাস দুই এলাকায়, আর প্রশাসনিক ভবন দশ কিলোমিটার দূরের অপর এলাকায়, হলের অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন স্থানে। এছাড়া নেই প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব, লাইব্রেরি, খেলার মাঠ কোনো কিছুই। এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থা খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের।
প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয়টি এখনও পায়নি স্থায়ী ক্যাম্পাস। ভাড়া করা অস্থায়ী ভবনে অফিস, শিক্ষার্থীদের আবাসন আর শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। শ্রেণিকক্ষ সংকট থেকে শুরু করে গবেষণার নূন্যতম সুযোগ নেই। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি অনুষদের ৫৫টি বিভাগে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছেন।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, নানামুখী সংকটে প্রতিনিয়ত পিছিয়ে পড়ছেন তারা। ফলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ভুগছেন মানসিক যন্ত্রণায়ও। শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি তাদের।
অপরদিকে কলেজের সঙ্গে তুলনা করে শিক্ষকরা বলছেন, উপায় না থাকায় গবেষণা বা বাস্তবিক জ্ঞান ছাড়াই একাডেমিক জীবন শেষ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ফলে হতাশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন উভয়ই। আর সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পনা ও উদ্যেগের কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নাজমুল আহসান বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫০ একর জায়গা নির্ধারিত আছে। প্রকল্পটি আমরা প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এটি বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন। জায়গাটি বর্তমানে যে অস্থায়ী ক্যাম্পাস তার আশপাশেই। ক্যাম্পাসের যে ডিপিপিটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। আশা করছি দ্রুত এটি বাস্তবায়ন হবে।’
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২৪/০৭/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
