নিউজ ডেস্ক।।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় প্রধান ফটক এবং এর আশপাশের এলাকায় সম্প্রতি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনৈতিক পোস্টার সাঁটানোর ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটকসংলগ্ন প্রবেশদ্বার এবং শহীদ সাজিদ বিল্ডিংয়ের দেওয়ালে এই নিষিদ্ধ সংগঠনের বেশ কিছু পোস্টার সাঁটানো অবস্থায় দেখতে পান সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দেওয়ালে সাঁটানো এই পোস্টারগুলোতে ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা’র নাম ব্যবহার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গভীর রাতে বা ভোরের আলো ফোটার আগে সংঘটিত এই পোস্টারিং কার্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম। প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের এমন প্রচারণায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ঘটনার মূল সত্যতা জানার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করছি। বিশেষ করে রাতের বেলা বা ভোরে যারা ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েও যে কেউ যেকোনো সময় ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।’
প্রক্টর আরও আশ্বস্ত করে বলেন, রাতের ও ভোরের নির্দিষ্ট সময়ের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খুব নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ শেষ হলেই খুব সহজে সনাক্ত করা সম্ভব হবে যে আসলে কারা, কোন উদ্দেশ্যে এই নিষিদ্ধ কার্যক্রম চালিয়েছে। দোষীদের সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল