ঢাকাঃ এবারের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি নিয়েই ঘরমুখো মানুষ বাড়ি যাচ্ছেন। সেতুতে টোল আদায়ে বিঘ্ন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও হঠাৎ যানবিকলের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজট ও ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া এ যানজট আজ বৃহস্পতিবার (৫ জনু) দুপুর পর্যন্ত দেখা গেছে। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে এলেঙ্গা হয়ে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার যানজট দেখা গেছে।
মহাসড়কের উত্তরঙ্গের প্রবেশপথ এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, রাবনা বাইপাস, ময়মনসিংহ লিংক রোড, ভূঞাপুর লিংকরোড ও যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত দেখা যায়- গাড়ির দীর্ঘ সারি। থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছে। ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে বাস ট্রাক কিংবা পিকআপ ভ্যানের ছাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন অনেকেই।
উত্তরবঙ্গগামী বাসযাত্রী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ৩ ঘণ্টার রাস্তা ৬ ঘণ্টায় এসেছি। যানজটে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
যাত্রী হারুন মিয়া বলেন, ঈদ করার জন্য রাজশাহী যাচ্ছি। রাতে গাড়িতে উঠেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত যমুনা সেতু পার হতে পারি নাই। খাওয়া দাওয়া করতে পারিনি। দুর্ভোগ নিয়ে যেতে হচ্ছে।
ঢাকা থেকে মধুপুরগামী রোকেয়া বেগম বলেন, ভাড়া ২-৩ গুণ বেশি নেওয়া হচ্ছে। ঈদ আসলে বাসের চালকরা ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো দরকার।
এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাংকার মোস্তফা কামাল বলেন, প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে অপক্ষো করছি। কিন্তু বাস পাচ্ছি না।
ট্রাক চালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মহাসড়কে খুব যানজট। নিয়মশৃঙ্খলার বালাই নাই।
টাঙ্গাইলের ট্রাফিক পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন জানান, অতিরিক্ত গাড়ির পাশাপাশি, দুর্ঘটনা ও রাস্তায় আনফিট গাড়ি বিকল হয়ে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে কাজ আমরা কাজ করছি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শরীফ বলেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট কমে যায়। গরম ও যানজটে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ঘরমুখো সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৫/০৬/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
