এইমাত্র পাওয়া

যৌক্তিক-অযৌক্তিক দাবির পাহাড়, স্থবির মাউশি

ঢাকাঃ  শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আন্দোলনে প্রায় দেড় মাস স্থবির মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। সরকারের পট পরিবর্তনের পর প্রতিদিনই কোনো না কোনো পক্ষ দাবি আদায়ে বিক্ষোভ করছে। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফেরা কঠিন হচ্ছে বলে মনে করেন শিক্ষা গবেষকেরা।

সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজের দেখভাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু ৫ আগস্টের পর এটি যেন হয়ে উঠেছে আন্দোলনের মাঠ।

গণ অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রায় প্রতিদিনই চলছে বিক্ষোভ। একেক পক্ষ অচল করে রাখছে নানা দাবিতে। কিন্তু এই সময়েই কেন এত অস্থিরতা?

এক শিক্ষক বলেন, ‘আমাদেরকে চরম বৈষম্যের শিকার করে রেখেছে। যে কারণে আমরা বাধ্য হয়েছি আন্দোলনে নামতে।’

আরেক শিক্ষক বলেন, ‘শুধু দাবি আদায় না শিক্ষা ব্যবস্থাকে উত্তোরণের জন্য আমাদের এই আন্দোলন।’

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, দিনভর আন্দোলনে আতঙ্কে থাকতে হয় কর্মকর্তাদের। স্বাভাবিক কাজও করতে পারছেন না তারা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম রেজাউল করিম বলেন, ‘৫ তারিখের (আগস্ট) পর সব দাবি দাওয়াগুলো আসছে। এগুলোর মধ্যে কিছু যৌক্তিকও আছে অযৌক্তিক আছে। আমাদের এইখানে প্রতিদিন আমি কয়েক শ লোকের প্রশ্নের সম্মুখীন হই। আমি তাদের প্রশ্নগুলো শুনি এবং সমাধান করার চেষ্টা করি। যেগুলো নীতির মধ্যে পড়ে, নিয়মের মধ্যে পড়ে, আমরা সেই দাবিগুলো বা প্রাপ্তিগুলো দেওয়ার চেষ্টা করি।’

দাবি আদায়ে ব্যস্ত না হয়ে শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক করার ওপর জোর দিচ্ছেন শিক্ষা গবেষকরা।

গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, এখন অনেকেই দাবি করছেন তারা নানাভাবে বঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু দাবি করলেও এই এই দাবিগুলো পূরণ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে সময় দিতে হবে।’ ইনডিপেন্ডেন্ট

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২০/০৯/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.