শিক্ষাবার্তা ডেস্ক, ঢাকাঃ ৫ম গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়সে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। মন্ত্রণালয় চাইলে ৫ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বয়সে ছাড় দেওয়া হবে।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহিল আজম।
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন এনটিআরসিএ’র সচিব ওবায়দুর রহমানও। তিনি বলেনছেন, করোনার প্রকৃত ভুক্তভোগী ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা। তবে ৩৯ মাসের বয়সে যে ছাড় ছিল সেটি মন্ত্রণালয় থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কাজেই এখানে এনটিআরসিএ’র কিছু করার নেই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চাইলে ১৭তম নিবন্ধনধারীরা বয়সে ছাড় পেতে পারেন।
এদিকে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বয়সে ছাড় দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ১৭তম নিবন্ধনে বয়স ৩৫ বছর অতিক্রম হওয়া চাকরিপ্রার্থীরা। তারা বলছেন, এই নিবন্ধনের কার্যক্রম শেষ করতে প্রায় চার বছর লেগেছে। অনেকের বয়স শেষ হয়ে গেছে। অনেকের বয়স শেষের দিকে। এই অবস্থায় ৫ম গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়সে ছাড় দেওয়ার দাবি তাদের।
এদিকে ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। ই-রেজিস্ট্রেশন শেষে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করবে সংস্থাটি। পরবর্তীতে তথ্য যাচাই শেষে ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) এনটিআরসিএ’র সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) মুহাম্মদ নুরে আলম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এনটিআরসিএ কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে ৫ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ৫ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে এনটিআরসিএ-এর প্রচলিত নিয়ম অনুসারে সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শূন্যপদের তথ্য চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) অনলাইনে সংগ্রহ করা হবে। অনলাইনে চাহিদা প্রদানের (E-Requisition) পূর্বশর্ত হিসাবে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে ই-রেজিস্ট্রেশন (অনলাইন নিবন্ধন) কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানিয়েছে, যে সকল প্রতিষ্ঠান পূর্বেই ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে তাদেরকে অবশ্যই ই-রেজিস্ট্রেশন প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে। কোন প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে অনলাইন প্লাটফর্মে ই-রেজিস্ট্রশন সম্পাদন না করলে কিংবা প্রোফাইল হালনাগাদ না করলে অনলাইনে নিয়োগযোগ্য শিক্ষকের শূন্যপদের চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) প্রদান করা সম্ভব হবে না। যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে সে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে User ID এবং Password ব্যবহার করে ই-রেজিস্টেশন ফর্মের Edit অপশনে ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে।
কোন প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য অপরিবর্তিত থাকলেও ঐ প্রতিষ্ঠানকে লগইন করে Submit বাটনে ক্লিক করতে হবে। নতুবা ই-রেজিস্ট্রেশন নবায়ন/হালনাগাদ হবে না। এজন্য ২৯ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশন করা এবং পূর্বে ই-রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদ করার জন্য অনুরোধ করেছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণের নিজস্ব প্রোফাইলও হালনাগাদ করতে হবে। ই- রেজিস্ট্রেশন প্লাটফর্মে লগইন করার জন্য তাদেরকে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড টেলিটক থেকে SMS এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে। ই-রেজিস্ট্রেশন প্লাটফর্মে লগইন করে তথ্য প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য এনটিআরসিএ-এর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ই-রেজিস্ট্রেশন নামক সেবাবক্সে প্রদানকৃত নির্দেশনা অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হলো।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৯/০১/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
